📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দশ মাসেও মিলছে না লিবিয়া থেকে নিখোঁজ তরুণের খোঁজ, দালালদের বিরুদ্ধে মামলা মাদারীপুরের

দশ মাসেও মিলছে না লিবিয়া থেকে নিখোঁজ তরুণের খোঁজ, দালালদের বিরুদ্ধে মামলা মাদারীপুরের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 লিবিয়া থেকে দশ মাস আগে নিখোঁজ হন মাদারীপুরের তরুণ সাগর মিয়া। দালালদের কাছ থেকে মুক্তির জন্য নয় লাখ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না তাঁর কোনো খোঁজ। দালালদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তাঁর মা

মাদারীপুরের তরুণ সাগর মিয়া (২০) লিবিয়া থেকে গত নভেম্বরে নিখোঁজ হন। তাঁর পরিবার দশ মাস ধরে তাঁর কোনো খোঁজ পাচ্ছে না। দালালদের কাছ থেকে তাঁর মুক্তির জন্য নয় লাখ টাকা দেওয়া হলেও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফলে দালালদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তাঁর মা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাদারীপুরের তরুণ সাগর মিয়া গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন
  • 📌 লিবিয়ার একটি বন্দিশালা থেকে তাঁকে মুক্তির জন্য নয় লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে
  • 📌 দালালদের কাছ থেকে বারবার আশ্বাস পেলেও তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি
  • 📌 সাগরের মা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আবেদন ও আদালতে মামলা করেছেন
  • 📌 দালাল চক্রের বিরুদ্ধে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

মাদারীপুর সদর উপজেলার খোঁয়াজপুর ইউনিয়নের পখিরা এলাকার কৃষক খবির মোল্লার ছেলে সাগর মিয়া। তিনি দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড়। গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর পরিবার দশ মাস ধরে তাঁর কোনো খোঁজ পাচ্ছে না।

সাগরকে অবৈধভাবে ইতালি পাঠানোর জন্য দালাল চক্রের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী, তাঁকে ইতালি পৌঁছে দেওয়ার জন্য ২৩ লাখ টাকা ধার্য করা হয়। ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর চুক্তির এক তৃতীয়াংশ টাকা পরিশোধ করা হয়। পরের দিন ৩ নভেম্বর সাগরকে সৌদি আরব নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুই দিন রাখার পর মিসর হয়ে লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। লিবিয়ার একটি বন্দিশালায় তাঁকে রাখা হয়। পরে তাঁকে ইতালি পাঠানোর জন্য ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় দালালরা তাঁকে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেয়।

দালালরা সাগরের মুক্তির জন্য ২০ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না পাওয়ায় তাঁর ওপর নির্যাতন চালানো হয়। পরে বাংলাদেশি দালাল গোলাম মওলার মাধ্যমে নয় লাখ টাকা দেওয়া হয়। টাকা দেওয়ার পর থেকে দালালরা তাঁর কোনো খোঁজ দিতে পারছে না।

সাগরের মা বেলাতুননেছা বলেন, ‘বাঁচা থাকলে ছেলে তো যোগাযোগ করত। ছেলেকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে দালালরা ধাপে ধাপে ৩২ লাখ টাকা নিয়েছে। তারা শুধু আশ্বাস দিচ্ছে। আমার ছেলে আর নেই, এটা বুঝতে পারছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘মামলা দিয়েছি, চালাতে পারছি না। দালালরা মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। আমি বিচার চাই, ছেলেকে ফিরে পেতে চাই।’

‘আমার সোনার টুকরা বাবার সন্ধান চাই। ওই আমার ভরসা।’ — বেলাতুননেছা, সাগরের মা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাদারীপুর, লিবিয়া, ইতালি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাগর মিয়া, বেলাতুননেছা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ মাস, ২০ বছর, নয় লাখ টাকা, ২৩ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖