📌 রাজবাড়ীর এক গৃহবধূর চিকিৎসায় চিকিৎসকদের অবহেলায় মৃত্যু হয়েছে। প্রসবের সময় পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়া হয়। প্রায় বিশ লাখ টাকা খরচ হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার এক গৃহবধূ চিকিৎসকদের অবহেলায় মৃত্যুবরণ করেছেন। কনিকা মন্ডল (৩৬) নামের ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। গত ১৯ আগস্ট দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজবাড়ীর গৃহবধূ কনিকা মন্ডলের মৃত্যু হয়েছে চিকিৎসকদের অবহেলায়
- 📌 প্রসবের সময় তার পেটে প্রায় দেড় কেজি গজ রেখে সেলাই দেওয়া হয়েছিল
- 📌 চিকিৎসা করতে গিয়ে খরচ হয়েছে প্রায় বিশ লাখ টাকা
- 📌 অভিযুক্ত চিকিৎসক লক্ষ্মী রানী দত্তের বিরুদ্ধে বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা
📰 বিস্তারিত
কনিকা মন্ডলের পরিবারের অভিযোগ, প্রসব ব্যথা উঠলে গত ২৯ জুন তাকে ফরিদপুর শহরের নীলটুলী এলাকার সমরিতা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিন সন্ধ্যায় হাসপাতালটির স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ডা. লক্ষ্মী রানী দত্ত অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার কন্যা সন্তান প্রসব করান। কিন্তু পরদিনই তার পেট ফুলে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে বিষয়টি জানালে তারা রোগীকে অন্যত্র নিয়ে যেতে বলেন। পরে তাকে ঢাকার কল্যাণপুরের ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কনিকার দেবর সমীর মন্ডল জানান, ঢাকায় ভর্তির পর ৭ জুলাই সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুল জলিলের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষার পর জানা যায়, তার পেটে প্রায় দেড় কেজি গজ রেখে সেলাই দেওয়া হয়েছিল। ওই দিনই অস্ত্রোপচার করে গজ বের করা হয় এবং তার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। টানা চার দিন আইসিইউতে রাখার পর ৪৮ দিন ধরে তার চিকিৎসা চলে।
সমীর মন্ডল বলেন, ‘এতে আমাদের প্রায় বিশ লাখ টাকা শেষ হয়ে গেছে, তাতেও বাঁচাতে পারলাম না। আমরা ওই ডাক্তারের বিচার চাই, তার অবহেলার কারণেই আজ একটি প্রাণ চলে গেল।’
‘দাদা নমস্কার। ভালো থাকুন ঈশ্বরের কাছে সেই প্রার্থনা করি। সব কথার আগে করজোড়ে ক্ষমাপ্রার্থী। ভুল মানুষেরই হয়, অনেক ঝামেলার ভেতর থেকে আমি ভুল করে ফেলেছি। আমি বারবার ক্ষমাপ্রার্থী আপনার কাছে। অনেক কষ্টে আছি। আবারও ক্ষমা চাচ্ছি দাদা।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কনিকা মন্ডল (৩৬), লক্ষ্মী রানী দত্ত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বিশ লাখ টাকা, ৪৮ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!