📌 কানাডার প্রাক্তন কোচ জেসে মার্চ ম্যানচেস্টার সিটি’র প্রিমিয়ার লিগের অর্থনৈতিক নিয়ম ভঙ্গের জন্য কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, সকলেই জানতেন ক্লাবের অর্থনৈতিক অপব্যবহারের বিষয়ে। সিটি’র বিরুদ্ধে ৯ মৌসুমে ৯০০ মিলিয়ন পাউন্ডের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
ম্যানচেস্টার সিটি’র বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের অর্থনৈতিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে কানাডার প্রাক্তন কোচ জেসে মার্চ কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। তিনি মনে করেন, ক্লাবকে অবশ্যই নিচের বিভাগে নামাতে হবে। মার্চের মতে, সকলেই জানতেন সিটি’র অর্থনৈতিক অপব্যবহারের বিষয়ে। তিনি বলেছেন, প্রিমিয়ার লিগের ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুমে সিটি’র বিরুদ্ধে ৯০০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। লিগের দাবি, ক্লাব ‘শাম’ বাণিজ্যিক চুক্তি ব্যবহার করে আয় বাড়িয়ে এবং খরচ কমিয়ে দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কানাডার প্রাক্তন কোচ জেসে মার্চ ম্যানচেস্টার সিটি’র বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন এবং দাবি করেছেন ক্লাবকে অবশ্যই নিচের বিভাগে নামাতে হবে।
- 📌 প্রিমিয়ার লিগের অভিযোগ অনুযায়ী, সিটি’র ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুমে ৯০০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি অর্থের অপব্যবহার হয়েছে।
- 📌 মার্চ বলেছেন, সকলেই জানতেন সিটি’র অর্থনৈতিক অপব্যবহারের বিষয়ে। তিনি বলেছেন, “আমি মনে করি ম্যানচেস্টার সিটি’কে কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত। আমি মনে করি তাদেরকে অবশ্যই নিচের বিভাগে নামাতে হবে, এবং সবাই জানতেন। সবাই জানতেন।”
- 📌 ২০২২ সালের গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে, লিডস ইউনাইটেডের রাফিনহা এবং কালভিন ফিলিপস বিক্রি করে অর্থ লাভের কথা বলা সিটি’র দাবিকে মার্চ সন্দেহজনক বলে মনে করেছেন।
- 📌 সিটি’র বিরুদ্ধে অভিযোগের বিরুদ্ধে তারা মামলা দায়ের করেছে এবং স্বাধীন কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে। সম্ভাব্য শাস্তি হিসেবে ফাইন, পয়েন্ট কাটা এবং এমনকি নিচের বিভাগে নামানো বা শিরোপা বাতিলের কথা আলোচিত হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
ম্যানচেস্টার সিটি’র বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের অর্থনৈতিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে কানাডার প্রাক্তন কোচ জেসে মার্চের মন্তব্য আজ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রূপ নিয়েছে। মার্চ, যিনি ২০২২ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত লিডস ইউনাইটেডের কোচ ছিলেন, বলেছেন যে সিটি’র অর্থনৈতিক অপব্যবহারের বিষয়ে সকলেই অবগত ছিলেন। তিনি বলেছেন, “আমি মনে করি ম্যানচেস্টার সিটি’কে কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত। আমি মনে করি তাদেরকে অবশ্যই নিচের বিভাগে নামাতে হবে, এবং সবাই জানতেন। সবাই জানতেন।”
মার্চের মতে, ২০২২ সালের গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে লিডস ইউনাইটেডের রাফিনহা এবং কালভিন ফিলিপস বিক্রি করে অর্থ লাভের কথা বলা সিটি’র দাবিকে তিনি সন্দেহজনক বলে মনে করেছেন। তিনি বলেছেন, “সেই গ্রীষ্মে আমরা এবং ম্যানচেস্টার সিটি ছিলাম একমাত্র দল যারা বলেছিল যে আমরা অর্থ লাভ করেছি। আমাদের জন্য, আমরা অর্থ লাভ করেছি, কারণ আমরা রাফিনহা এবং কালভিন ফিলিপস বিক্রি করেছি। আমাদের কেনার থেকে অনেক অর্থ বাকি ছিল। আমাদের মালিকদের কাছে গভীর জেব ছিল না। কিন্তু যখন ম্যানচেস্টার সিটি বলেছে, আমি বলেছি, ‘তোমরা কি হাস্যরসের কথা বলছ? এটা কি কোনো জোক?’”
মার্চ আরও বলেছেন, সিটি’র বোরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে এরলিং হালান্ড কিনতে ৫২ মিলিয়ন পাউন্ডের দাবি তিনি সন্দেহজনক বলে মনে করেছেন। তিনি বলেছেন, “যখন তারা বলেছে যে তারা এরলিং হালান্ড কিনেছে ৫২ মিলিয়ন পাউন্ডে, আমি বলেছি, ‘হ্যাঁ, ঠিক আছে, অবশ্যই!’ তাই আমি জানতাম যে এখানে কিছু অসঙ্গতি আছে, কিন্তু কি করব? আমি শুধু হাত তুলে বলি, ‘এই ফুটবল’।”
ম্যানচেস্টার সিটি’র বিরুদ্ধে অভিযোগের বিরুদ্ধে তারা মামলা দায়ের করেছে এবং স্বাধীন কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে। সম্ভাব্য শাস্তি হিসেবে ফাইন, পয়েন্ট কাটা এবং এমনকি নিচের বিভাগে নামানো বা শিরোপা বাতিলের কথা আলোচিত হচ্ছে। তবে আপিলের ফলাফল পর্যন্ত কোনো শাস্তি আরোপ করা হবে না।
"আমি মনে করি ম্যানচেস্টার সিটি’কে কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত। আমি মনে করি তাদেরকে অবশ্যই নিচের বিভাগে নামাতে হবে, এবং সবাই জানতেন। সবাই জানতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রিমিয়ার লিগ, ইংল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেসে মার্চ (কানাডার প্রাক্তন কোচ), ম্যানচেস্টার সিটি’র মালিক ও পরিচালনা পর্ষদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০০ মিলিয়ন পাউন্ড (অর্থনৈতিক অপব্যবহার), ৫২ মিলিয়ন পাউন্ড (এরলিং হালান্ডের ট্রান্সফার ফি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!