📌 ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুনে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে, কিন্তু প্রশাসন পদদলিত হওয়ার দাবি নাকচ করে দিয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির বলেছেন, কোনো মৃত্যুতে পদদলিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পরিবাররা দাবি করেছেন দুজনের মৃত্যু সিঁড়িতে পড়ার কারণে হয়েছে
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সোমবার সন্ধ্যায় আগুন লাগার পর চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে প্রশাসন পদদলিত হওয়ার দাবি নাকচ করে দিয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, কোনো মৃত্যুতে পদদলিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পরিবার ও স্বজনদের দাবি, দুজনের মৃত্যু সিঁড়িতে পড়ার কারণে হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুনে চার মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু পদদলিত হওয়ার দাবি প্রশাসন নাকচ করেছে
- 📌 বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির বলেছেন, পদদলিত হয়ে মৃত্যুর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি
- 📌 চার মৃত্যুর মধ্যে দুজনের মৃত্যু স্বাভাবিক বলে পরিবার নিশ্চিত করেছে, বাকি দুজনের মৃত্যুর কারণ এখনো স্পষ্ট নয়
- 📌 হাসপাতালের দুটি সিঁড়ির একটি বন্ধ থাকায় রোগী ও স্বজনরা হুড়োহুড়িতে পড়েন, দুজনের মৃত্যু সিঁড়িতে পড়ার কারণে বলে দাবি করেছেন পরিবার
- 📌 হাসপাতালের নতুন ভবনের অষ্টম তলায় আগুন লাগার পর রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে
📰 বিস্তারিত
সোমবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের অষ্টম তলায় আগুন লাগার পর রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার পর হাসপাতালের ভেতরে লোকজন ছোটাছুটি শুরু করলে রোগী ও স্বজনরা সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। এর মধ্যে দুজনের মৃত্যু সিঁড়িতে পড়ার কারণে হয়েছে বলে দাবি করেছেন পরিবার।
বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির ও ময়মনসিংহ–৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ হাসপাতাল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, পদদলিত হয়ে ছয়জন মারা গেছেন এমন কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা ফায়ার সার্ভিস, জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁদের রেজিস্টারও যাচাই করেছি। পদদলিত হয়ে মৃত্যুর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’
চার মৃত্যুর মধ্যে দুজনের মৃত্যু স্বাভাবিক বলে পরিবার নিশ্চিত করেছে। বাকি দুজনের মৃত্যুর কারণ এখনো স্পষ্টভাবে জানানো যায়নি। কমিশনার আরও বলেছেন, ‘এ ঘটনায় কোনো মৃত্যু হয়েছে এমন তথ্য-প্রমাণ আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি। তবে পদদলিত হয়ে মৃত্যুর তথ্যটি অসত্য।’
হাসপাতালের দুটি সিঁড়ির একটি বন্ধ থাকার কারণে রোগী ও স্বজনরা একটি সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে হুড়োহুড়ির মধ্যে পড়েন। এই বিষয়ে কমিশনার জানিয়েছেন, নিরাপত্তার কারণে হাসপাতালের কিছু সিঁড়ি বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে কোনো অনিয়ম থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন শাহাজাহান মনির (৪৫)। তাঁর ছেলে পলাশ মোল্লা বলেন, আগুন লাগার সময় তাঁর বাবা, মা হারিসা আক্তার ও খালা জাহানারা আক্তার একসঙ্গে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামছিলেন। এ সময় পেছন থেকে লোকজনের ধাক্কায় তাঁরা পড়ে যান। পরে তাঁর মা ও খালাকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়।
"পদদলিত হয়ে ছয়জন মারা গেছেন—এমন কোনো তথ্য-প্রমাণ আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি। আমরা ফায়ার সার্ভিস, জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁদের রেজিস্টারও যাচাই করেছি। পদদলিত হয়ে মৃত্যুর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।" — বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির, আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, কুলসুম আক্তার (৩৫), শাহাজাহান মনির (৪৫)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (মৃত্যু), ১৪ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ১২ টা (আগুন লাগার সময়), ৩৫ (কুলসুম আক্তারের বয়স), ৪৫ (শাহাজাহান মনিরের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!