📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কালাইয়ের কিডনি ব্যবসার প্রধান দালাল আব্দুস সাত্তার গ্রেপ্তার

কালাইয়ের কিডনি ব্যবসার প্রধান দালাল আব্দুস সাত্তার গ্রেপ্তার

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জয়পুরহাটের কালাইয়ে কিডনি ক্রয়-বিক্রয়ের মূলহোতা আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে এবং তিনি দরিদ্র মানুষদের কিডনি বিক্রিতে প্রলুব্ধ করতেন বলে অভিযোগ

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় কিডনি ক্রয়-বিক্রয়ের মূলহোতা হিসেবে পরিচিত আব্দুস সাত্তারকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার দিবাগত রাতে বগুড়া সদরের পৌরপার্ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কালাই থানার তদন্ত ওসি দিপেন্দ্রনাথ সিংহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কালাইয়ের বহুতি গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার খলিফার ছেলে আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
  • 📌 তার বিরুদ্ধে কিডনি কেনা-বেচাসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে
  • 📌 গাইবান্ধার মন্টু মিয়াকে কিডনি বিক্রির জন্য ১০ লাখ টাকার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল
  • 📌 মন্টু মিয়াকে অগ্রিম ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল এবং তাকে নেপালে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল
  • 📌 কিডনি বিক্রির টাকা না পেয়ে মন্টু মিয়া আদালতে মামলা দায়ের করেন

📰 বিস্তারিত

কালাই উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ক্রয়-বিক্রয়ের দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। দরিদ্র, ঋণগ্রস্ত ও অসচ্ছল মানুষদের টার্গেট করে এই চক্র কাজ করে আসছে। প্রশাসনিক নজরদারির কারণে কিছুটা কমলেও গত এক বছর ধরে আবারও চক্রটি সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের মন্টু মিয়া আর্থিক সংকটে থাকা অবস্থায় তাকে কিডনি বিক্রির জন্য ১০ লাখ টাকার প্রলোভন দেখানো হয়। তাকে ঢাকায় নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নেপালের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার একটি কিডনি অপসারণ করা হয়। দেশে ফেরার পর মন্টু মিয়া কিডনি বিক্রির বাকি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে দালালরা তাকে টাকা না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকে।

এরপর হতাশ হয়ে মন্টু মিয়া গত ১৩ জুন জয়পুরহাট আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন। তিনি আসামি হিসেবে উল্লেখ করেন সাব্বির আহমেদ, সুমন আলী, আব্দুল মান্নান, সাইদুর রহমান, আব্দুস ছাত্তার এবং তারেক আজম ওরফে বাবলু চৌধুরীকে। তারেক আজম কিডনি ক্রয়-বিক্রয়ের মহাজন হিসেবে পরিচিত এবং তিনি ঢাকার রায়েরবাগ এলাকায় থেকে জয়পুরহাটে দালাল নিয়োগ দিয়ে দরিদ্র মানুষদের প্রলুব্ধ করতেন।

"কিডনি-সংক্রান্ত প্রতারণা মামলাটি থানায় গ্রহণের পর এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়। প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে বগুড়া সদরের পৌরপার্ক এলাকার থেকে এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা ও বগুড়া সদর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুস সাত্তার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪, ১০ লাখ, ৫০ হাজার, ৯ লাখ, ১৩ জুন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖