📌 কালাই উপজেলায় কিডনি কেনাবেচার অভিযোগে আবদুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মন্টু মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে নেপালে নিয়ে কিডনি অপসারণের পর অর্থ না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে
কালাই উপজেলায় কিডনি কেনাবেচার অভিযোগে জয়পুরহাটের বহুতি গ্রামের মৃত আবদুল জব্বার খলিফার ছেলে আবদুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে বগুড়া শহরের পৌর পার্ক এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার আদালতে তাঁকে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় কিডনি কেনাবেচার অভিযোগে আবদুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
- 📌 গত বুধবার রাতে বগুড়া শহরের পৌর পার্ক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আবদুস সাত্তারকে
- 📌 মন্টু মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে নেপালে নিয়ে কিডনি অপসারণ করা হয় এবং অর্থ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ
- 📌 আবদুস সাত্তারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ
📰 বিস্তারিত
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় কিডনি কেনাবেচার অভিযোগে আবদুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে বগুড়া শহরের পৌর পার্ক এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার আদালতে তাঁকে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আবদুস সাত্তার কালাই উপজেলার বহুতি গ্রামের মৃত আবদুল জব্বার খলিফার ছেলে।
মামলার সূত্রে জানা যায়, মন্টু মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে কিডনি বিক্রির বিনিময়ে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। পরে তাঁকে ঢাকায় নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় এবং পাসপোর্ট তৈরি করা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম দিকে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে নেপালে নেওয়া হয়। সেখানে একটি হাসপাতালে ভর্তি করার পর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁর একটি কিডনি অপসারণ করা হয়। কয়েক দিন হাসপাতালে রাখার পর মন্টু মিয়াকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে চুক্তি অনুযায়ী বাকি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, "বুধবার রাতে বগুড়া সদর থানা এলাকা থেকে আবদুস সাত্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। কিডনি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত দালাল ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
"কিডনি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত দালাল ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা, বগুড়া শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুস সাত্তার, মন্টু মিয়া, রফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ টাকা, ৫০ হাজার টাকা, ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!