📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় খাসি না পেয়ে প্রথম বিয়ে ভেঙে যাওয়া জাপানপ্রবাসী জুনায়েদ মিয়া নতুন করে বিয়ে করেছেন। নতুন স্ত্রী স্থানীয় কলেজছাত্রী জান্নাত আক্তার। দেনমোহর নির্ধারণ হয়েছে ছয় লাখ টাকা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় খাসি না পেয়ে প্রথম বিয়ে ভেঙে যাওয়া জাপানপ্রবাসী জুনায়েদ মিয়া নতুন করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ১১টায় কসবা উপজেলার নেয়ামতপুর গ্রামে কনের মামার বাড়িতে এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। নতুন স্ত্রী জান্নাত আক্তার আখাউড়ার নূরপুর গ্রামের জাহের মিয়ার মেয়ে। তিনি স্থানীয় একটি মহিলা কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুনায়েদ মিয়া প্রথম বিয়ের আসরে খাসি না পেয়ে বিবাহ ভেঙে ফেলেন
- 📌 নতুন স্ত্রী জান্নাত আক্তার, স্থানীয় কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী
- 📌 বিয়ের স্থান: কসবা উপজেলার নেয়ামতপুর গ্রামের তাজু সরকারের বাড়ি
- 📌 দেনমোহর নির্ধারণ হয়েছে ছয় লাখ টাকা
- 📌 জুনায়েদ মিয়া ফেসবুকে স্ত্রীসহ ছবি পোস্ট করেছেন
📰 বিস্তারিত
জুনায়েদ মিয়া প্রথম বিয়ের আসরে খাসির ব্যবস্থা না থাকায় বিবাহ ভেঙে ফেলেন বলে অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, বিয়ের আসরে খাওয়া-দাওয়া শেষে কনেপক্ষ পূর্বনির্ধারিত অঙ্কের চেয়ে দশগুণ বেশি কাবিন দাবি করে। এতে রাজি না হওয়ায় তাদের বিয়ের আসর থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কনেপক্ষ তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে এবং সাংবাদিক ভাড়া করে তার বিরুদ্ধে ভুয়া পোস্ট ছড়িয়েছে। তবে কনেপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।
এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাতেই জুনায়েদ মিয়া নতুন করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। নতুন স্ত্রী জান্নাত আক্তার স্থানীয় কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। বিয়ের স্থান ছিল কসবা উপজেলার নেয়ামতপুর গ্রামের তাজু সরকারের বাড়ি। একই গ্রামে জুনায়েদ মিয়ার নিজের বাড়িও রয়েছে বলে জানান তার ছোট ভাই পারভেজ।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে জুনায়েদ মিয়া তার ফেসবুক আইডিতে স্ত্রীসহ একটি ছবি পোস্ট করেন। দেনমোহর হিসেবে ছয় লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তার ভাই পারভেজ।
"খাসির ব্যবস্থা না থাকায় প্রথম বিয়ে ভেঙে যায়। পরে নতুন করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কসবা উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুনায়েদ মিয়া (জাপানপ্রবাসী)
- 👥 নতুন স্ত্রী: জান্নাত আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ টাকা (দেনমোহর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ গুণ (কাবিন বৃদ্ধির অভিযোগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!