📌 আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চকে সফল করতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে দলটির নেতারা দিকনির্দেশনা দেন
ঢাকা: আগামী ৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চকে সফল করতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা কর্মসূচির সাংগঠনিক সমন্বয় ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ২০ আগস্ট
- 📌 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা, যার মধ্যে রয়েছেন ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম ও অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ
- 📌 কর্মসূচিকে জাতীয় সিরিজ কর্মসূচি হিসেবে ঘোষণা করে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে
- 📌 লংমার্চ কর্মসূচিতে দেশবাসীর ব্যাপক অংশগ্রহণ কামনা করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ কর্মসূচি আয়োজনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে দলটির কেন্দ্র ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলটির ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠকে লংমার্চ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতি, সমন্বয় ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে কর্মসূচিতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা, সাংগঠনিক সমন্বয় এবং দায়িত্বপ্রাপ্তদের কার্যক্রম নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।
‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চকে জাতীয় সিরিজ কর্মসূচি হিসেবে নেওয়া হয়েছে।’
ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বৈঠকে আরও উল্লেখ করেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরদিন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে সংসদ ও রাজপথে একসঙ্গে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অবস্থা দেখে আবার জুলাই আন্দোলনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। কারণ, সরকার জুলাইকে মুছে দিতে চায়।’
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি এভাবে জাতির সঙ্গে বেঈমানি করছে। আমরা জুলাইকে মুছে দিতে দেব না, থামাতেও দেব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থান জনগণ করেছে, এটি কোনো দলের ইস্যু নয়, জনগণের ইস্যু।’
‘সাতটি সার কারখানার মধ্যে ছয়টি বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে শিল্পকারখানার উৎপাদনেও মারাত্মক প্রভাব পড়েছে এবং বিভিন্ন কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।’
লংমার্চ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সব শ্রেণি-পেশার মানুষসহ দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মগবাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (সেপ্টেম্বর), ২০ (আগস্ট), ১১ (দলীয়), ১২ (ফেব্রুয়ারি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!