📌 জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ই-সিগারেট, হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্ট ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধ ও বাজার থেকে অপসারণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কেন আইনগতভাবে অকার্যকর ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন
ঢাকা: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ই-সিগারেট, হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্ট (এইচটিপি) এবং নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধ ও বাজার থেকে অপসারণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও অকার্যকর ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ক্ষতিকর এসব পণ্যের অবাধ বিস্তার রোধে রাষ্ট্রকে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইকোর্ট রুল জারি: ই-সিগারেট, হিটেড টোব্যাকো ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধ ও বাজার থেকে অপসারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কেন আইনগতভাবে অকার্যকর ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি।
- 📌 জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি: ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্ট হিসেবে পরিচিত এসব পণ্যের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে বলে উল্লেখ।
- 📌 সংবিধানিক দায়িত্ব: সংবিধানের ১৮(১) ও ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা তুলে ধরা হয়েছে আবেদনে।
- 📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা: ডব্লিউএইচও এসব পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে পূর্বেই সতর্ক করেছে।
- 📌 রিট আবেদনকারীরা: এ কে এম মাকসুদ, সাইফুদ্দিন আহমেদ, হেলাল আহমেদ ও মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে তামাকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) এ রুল জারি করেন। রুলে ই-সিগারেট, হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্ট এবং নিকোটিন পাউচের মতো ক্ষতিকর তামাকজাত পণ্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষিদ্ধ করতে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ই-সিগারেট ও অন্যান্য নতুন ধরনের তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও) এসব পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছে। এরপরও দেশে এসব পণ্য নিয়ন্ত্রণ, অপসারণ বা নিষিদ্ধের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি, যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্বের পরিপন্থি।
বাদীপক্ষের দাবি, ক্ষতিকর এসব পণ্যের অবাধ বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। তাই জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ই-সিগারেট, হিটেড টোব্যাকো ও নিকোটিন পাউচের বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
রিট আবেদনে ‘ভয়েজ অব ডিসকভারি’ মামলার রায়ের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। ওই মামলায় হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ তামাক শিল্প বা বিড়ি কারখানার লাইসেন্স সীমিত করা এবং বিদ্যমান তামাক কোম্পানিগুলোকে যুক্তিসংগত সময়ের মধ্যে বিকল্প শিল্পে রূপান্তরের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন।
"ক্ষতিকর তামাকজাত পণ্যের বিস্তার রোধে রাষ্ট্রকে অবশ্যই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। সংবিধানের ১৮(১) ও ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি জে বি এম হাসান, বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ আগস্ট ২০২৬
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সংবিধানের ১৮(১) ও ৩২ অনুচ্ছেদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!