📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ ডিসেম্বরে উদ্বোধন: ২২ জেলার সড়ক যোগাযোগে বিপ্লবী পরিবর্তন

হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ ডিসেম্বরে উদ্বোধন: ২২ জেলার সড়ক যোগাযোগে বিপ্লবী পরিবর্তন

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নির্মাণকাজ ডিসেম্বরে শেষ হয়ে যাচ্ছে, যা ২২ জেলার সড়ক যোগাযোগকে বিপ্লবীভাবে পরিবর্তন করবে। ৭৪৩ কোটি টাকার এই প্রকল্পে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইন্টারচেঞ্জ

ডিসেম্বরের মধ্যে উদ্বোধন করা হবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ও সর্বাধুনিক ইন্টারচেঞ্জ হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ, যা উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার সড়ক যোগাযোগকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা থেকে ২২ জেলার সাথে যানবাহন চলাচল আরও দ্রুত ও নিরবিঘ্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **ডিসেম্বরের মধ্যে উদ্বোধন**: হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের মূল অবকাঠামো নির্মাণকাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।
  • 📌 **২২ জেলার যোগাযোগ**: ঢাকা-উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার সড়ক যোগাযোগে বিপ্লব আনবে ইন্টারচেঞ্জ।
  • 📌 **৭২% কাজ শেষ**: প্রকল্পের প্রায় ৭২ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, বাকি কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হবে।
  • 📌 **৭৪৩ কোটি টাকা ব্যয়**: চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ব্রিজ কর্পোরেশন এই প্রকল্পে ৭৪৩ কোটি টাকা খরচ করছে।
  • 📌 **আধুনিক প্রযুক্তি**: জিপিএস ও বিল্ডিং ইনফরমেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করে নির্মাণকাজ পরিচালিত হচ্ছে।
  • 📌 **পণ্য পরিবহনে সুবিধা**: দ্রুত পণ্য পরিবহন ও কম ব্যয়ের ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

📰 বিস্তারিত

২০২২ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের প্রাথমিক সময়সীমা ছিল ২০২৪ সালের ডিসেম্বর। তবে ভূমি অধিগ্রহণ ও অন্যান্য জটিলতার কারণে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর করা হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্প এলাকায় বালি ভরাট, সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ, এসএমবিডি ব্রিজের কাজ এবং সার্ভিস এরিয়া নির্মাণ এগিয়ে চলছে। এ পর্যন্ত ছয়টি সার্ভিস লেন চালু করা হয়েছে।

সাসেক-২-এর উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. সরফরাজ হোসাইন জানান, "২৪ ঘণ্টায় দুই শিফটে নির্মাণকাজ চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যে ইন্টারচেঞ্জের প্রধান কাঠামোর কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।" প্রকল্প পরিচালক মো. ওয়ালিউর রহমান বলেন, "নির্মাণকাজে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। জিপিএস প্রযুক্তি জরিপে এবং বিল্ডিং ইনফরমেশন সফটওয়্যার নির্মাণ অগ্রগতির পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হচ্ছে।"

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্টারচেঞ্জ চালু হলে যমুনা সেতুর সক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যাবে। যানবাহনের গতি বাড়ার পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তাও উন্নত হবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, "ইন্টারচেঞ্জে ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমের (আইটিএস) উপাদান যুক্ত করা হলে যানজট ও সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।"

সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, "দ্রুত পণ্য পরিবহন হলে পরিবহন ব্যয় কমবে এবং পণ্যের দামও কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা।"

"২৪ ঘণ্টায় দুই শিফটে নির্মাণকাজ চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যে ইন্টারচেঞ্জের প্রধান কাঠামোর কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।"
"ইন্টারচেঞ্জে ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমের উপাদান যুক্ত করা হলে যানজট ও সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাটিকুমরুল, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সরফরাজ হোসাইন, মো. ওয়ালিউর রহমান, সাইদুর রহমান বাচ্চু, মো. হাদিউজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ জেলা, ৭২ শতাংশ, ৭৪৩ কোটি টাকা, ২৪ ঘণ্টা (দুই শিফট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖