📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহ মেডিকেলে লিফটে আগুন: পদদলিত হয়ে মারা যায় পিতা-মাতা-মেয়ে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করে

ময়মনসিংহ মেডিকেলে লিফটে আগুন: পদদলিত হয়ে মারা যায় পিতা-মাতা-মেয়ে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহ মেডিকেলে লিফটে আগুন লাগার পর পদদলিত হয়ে মারা যায় পিতা-মাতা-মেয়ে। স্বজনদের দাবি, চারজন মৃতের তথ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নাকচ করেছে

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত সোমবার রাতে লিফটে আগুন লাগার পর পদদলিত হয়ে মারা যায় পিতা-মাতা-মেয়ে। স্বজনদের দাবি, দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন তা অস্বীকার করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শাহাজাহান মনির (৪৫) ময়মনসিংহ মেডিকেলে যক্ষ্মা চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় পদদলিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ফুলবাড়িয়া উপজেলার পল্লিচিকিৎসক ছিলেন।
  • 📌 হারিসা বেগম (স্ত্রী) ও কুলসুম আক্তার (৩৫) (মা) পদদলিত হয়ে মারা যান। কুলসুমের ১২ বছর বয়সী ছেলে ও ১৮ বছর বয়সী মেয়ে মিম আক্তার আহত হন।
  • 📌 হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি অস্বীকার করে, কিন্তু স্বজনরা দাবি করেন পদদলিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে।
  • 📌 মিম আক্তার বলেন, “আমার আম্মু তখন মানুষের ভিড়ের মধ্যে পড়ে গেছিল। আম্মু আমাকে একবার ডাক দিয়ে কইছে, ‘ও মিম, আমারে ধরলি না?’”
  • 📌 হাওয়া খাতুন (বৃদ্ধ মা) বলেন, “আমার সেই মানুষ কই? মানুষের পাড়ায় পিষ্ট হয়ে মারা গেছে।”

📰 বিস্তারিত

গত সোমবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লিফটে আগুন লাগার পর সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মারা যায় শাহাজাহান মনির (৪৫)। তিনি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পল্লিচিকিৎসক ছিলেন। ১০ থেকে ১২ দিন ধরে তিনি হাসপাতালের নতুন ভবনে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

স্বজনদের দাবি, আগুন লাগার পর সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন শাহাজাহান মনির। তার স্ত্রী হারিসা বেগম ও তার বোনের সঙ্গে নামতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মারা যান। হারিসা বেগমের দাবি, “আমি যে রোগী নিয়া নিচে নামবার লইছিলাম, আমার সেই মানুষ কই? মানুষের পাড়ায় পিষ্ট হয়ে মারা গেছে।”

অপরদিকে, কুলসুম আক্তার (৩৫) তার ১২ বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে হাসপাতালে ছিলেন। তার ১৮ বছর বয়সী মেয়ে মিম আক্তার বলেন, “আমার আম্মু তখন মানুষের ভিড়ের মধ্যে পড়ে গেছিল। আম্মু আমাকে একবার ডাক দিয়ে কইছে, ‘ও মিম, আমারে ধরলি না?’” মিমের অভিযোগ, মাকে তুলতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন পদদলিত হয়ে মৃত্যুর তথ্য নাকচ করেছে। তবে স্বজনদের দাবি, চারজনের মৃত্যু হয়েছে। শাহাজাহান মনিরের মা হাওয়া খাতুন বলেন, “আমার পুতটারে মাইরা হালাইছে। আমি যে রোগী নিয়া নিচে নামবার লইছিলাম, আমার সেই মানুষ কই?”

"আমার আম্মু তখন মানুষের ভিড়ের মধ্যে পড়ে গেছিল। আম্মু আমাকে একবার ডাক দিয়ে কইছে, ‘ও মিম, আমারে ধরলি না?’"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহাজাহান মনির (৪৫), হারিসা বেগম, কুলসুম আক্তার (৩৫), মিম আক্তার (১৮), হাওয়া খাতুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ (শাহাজাহান মনিরের বয়স), ১০-১২ (চিকিৎসা দিন), ৩৫ (কুলসুম আক্তারের বয়স), ১২ (ছেলের বয়স), ১৮ (মিম আক্তারের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖