📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিজেপি শাসনের পর পশ্চিমবঙ্গে গরুর মাংসের দোকান বন্ধ হচ্ছে, খাদ্যাভ্যাসে বিপর্যয় সৃষ্টি

বিজেপি শাসনের পর পশ্চিমবঙ্গে গরুর মাংসের দোকান বন্ধ হচ্ছে, খাদ্যাভ্যাসে বিপর্যয় সৃষ্টি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকারি নীতির কারণে গরুর মাংসের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। কলকাতার ট্যাংরা এলাকার একমাত্র জবাইখানা বন্ধ থাকায় মাংসের দোকানগুলো ব্যবসা হারাচ্ছে এবং দামে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর গরুর মাংসের দোকানগুলো ক্রমশ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিজেপির সরকারি নীতির কারণে রাজ্যে গরুর মাংস সরবরাহের চেইন ভেঙে পড়েছে। কলকাতার ট্যাংরা এলাকায় অবস্থিত একমাত্র গরু-মহিষ জবাইখানা বন্ধ থাকায় মাংসের দামে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ব্যবসায়ীরা ব্যবসা হারাচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কলকাতার ট্যাংরা এলাকার একমাত্র জবাইখানা বন্ধ থাকায় গরুর মাংসের সরবরাহে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে
  • 📌 পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৪ বছরের কম বয়সী গরু জবাই করা যাবে না
  • 📌 গত মে মাসে বিজেপি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকে গরুর মাংসের দাম ৩০% পর্যন্ত বেড়েছে
  • 📌 কলকাতার পৌর করপোরেশনের লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন না
  • 📌 মেহমুদ আলমের মতো ব্যবসায়ীরা তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে কোনো আয় করতে পারছেন না

📰 বিস্তারিত

বেলা ১২ টায় কলকাতার ট্যাংরা এলাকায় অবস্থিত একমাত্র গরু-মহিষ জবাইখানার গলিতে কোনো লোকের আনাগোনা নেই। শহরের পৌর করপোরেশনের পরিচালনাধীন ঐ ঔপনিবেশিক আমলের ভবনটি বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। ফটকের ছোট ফাঁক দিয়ে দেখা যায়, বিশাল খালি চত্বরে স্কুলপড়ুয়া কয়েকজন ছেলে দৌড়াদৌড়ি ও খেলাধুলা করছে। জবাইখানার বিপরীতে অবস্থিত একটি খাবারের দোকানের ম্যানেজার মোহাম্মদ মেহমুদ আলম বলেন, ‘মে মাসে জবাইখানাটি বন্ধ হওয়ার পর থেকেই ওই ছেলেরা দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে খেলছে।’

মেহমুদের দোকানে মূলত দিনমজুর, ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকরা খেতে আসতেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি এখনও অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না, এই সরকার খুব তাড়াতাড়ি জবাইখানাটি আবার খুলতে দেবে।’

গত ১৩ মে পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যে গরু ও অন্যান্য গবাদিপশু জবাই নিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে। বিজেপি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর এই নির্দেশনা কার্যকর করা হয়। সরকারি নোটিশে বলা হয়েছে, ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে চলতে হবে। এতে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করে জবাইয়ের সনদ না পাওয়া পর্যন্ত গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর এবং নির্দিষ্ট শ্রেণির মহিষ জবাই করা যাবে না। বয়স, আঘাত, শারীরিক ত্রুটি বা দুরারোগ্য রোগের কারণে প্রাণীটি যদি স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়ে, তাহলেও সনদ দেওয়া যেতে পারে। তবে সনদ পাওয়া প্রাণী কেবল পৌরসভা পরিচালিত কসাইখানায় জবাই করা যাবে। খোলা জনসমক্ষে পশু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মেহমুদ আলমের পাশে বসে থাকা তাঁর বন্ধু মুশতাকও ক্ষতিগ্রস্ত মাংস ব্যবসায়ীদের একজন। মুশতাক বলেন, ‘কলকাতার বাসিন্দা আমার পরিবারের আগের ছয় প্রজন্মের কেউ এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি। আমরা সবাই গরুর মাংস সরবরাহের ব্যবসা করতাম। কিন্তু নির্বাচনের কারণে লাইসেন্স নবায়ন বন্ধ রাখা হয়েছে। তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে আমি এক পয়সাও আয় করতে পারিনি।’

গত মে মাসে ঈদ সামনে রেখে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু ঈদ শেষ হওয়ার পরও সেই সংকট কাটেনি। তিন মাসেরও বেশি সময় পরেও গরুর মাংসের সরবরাহ কমে গেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় দামও বেড়েছে। এখন এক প্লেট গরুর মাংস ভুনার দাম ১২০ রুপি, যা আগের ১০০ রুপি থেকে বেড়েছে। এক কেজি গরুর মাংসের দামও ৩৫০ থেকে ৫০০ রুপি পর্যন্ত বেড়েছে। আগের দাম ছিল ২০০ থেকে ২৫০ রুপি। তবে দাম বাড়লেও বিক্রি কমেছে। মেহমুদ বলেন, ‘বিক্রি অন্তত ৫০ শতাংশ কমে গেছে।’

"আমি শুধু ভুনা বিক্রি করি। আগে চাপ ও স্টু বানাতাম। কিন্তু এগুলোর জন্য ভালো মানের গরুর মাংস দরকার। গত কয়েক মাস ধরে যে ধরনের মাংস পাওয়া যাচ্ছে, তা দিয়ে এগুলো বানানো যায় না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, ট্যাংরা এলাকা, পশ্চিমবঙ্গ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ মেহমুদ আলম, মুশতাক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০ রুপি (প্লেটের দাম), ৩৫০-৫০০ রুপি (১ কেজি মাংসের দাম), ১০০ রুপি (পূর্বের প্লেটের দাম), ৫০% (বিক্রির হ্রাস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖