📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদে শিক্ষার্থীরা জেনারেটর, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াইফাই সমস্যার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন। উপাচার্য জানান জেনারেটর অর্ডার দেওয়া হলেও ব্যয় ও ব্যবহার নিয়ে চিন্তা রয়েছে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ ভবনে শিক্ষার্থীরা জেনারেটর, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াইফাই সমস্যার জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করছেন। নতুন ভবনের সুবিধা উপভোগ করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা বিদ্যুৎ সংকট, নিরাপত্তা অভাব ও অবকাঠামোগত সমস্যায় ভোগান্তি ভোগ করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষার্থীরা নতুন কলা অনুষদ ভবনে জেনারেটর, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াইফাই সমস্যার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন
- 📌 শিক্ষার্থী ফাতেমা বলেন, ওয়াইফাই গতি কম এবং লোডশেডিংয়ের সময় জেনারেটর না থাকায় শিক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়েন
- 📌 অনুষদের অডিটোরিয়ামের কাজ শেষ হয়নি এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা নেই
- 📌 উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান জানান, জেনারেটর অর্ডার দেওয়া হলেও ব্যয় ও ব্যবহার নিয়ে চিন্তা রয়েছে
- 📌 কলা অনুষদের ডিন মো. ইকবাল শাহীন খান বলেন, ব্যান্ডউইথ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় প্রশাসন নিতে হবে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ ভবন উদ্বোধনের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষের তরঙ্গ বেড়েছে। শিক্ষার্থীরা জেনারেটর, সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াইফাই ও নিরাপত্তা কর্মীর অভাবের জন্য প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ চাইছেন। শিক্ষার্থী ফাতেমা বলেন, নতুন ভবনে ওয়াইফাইয়ের গতি খুব কম এবং লোডশেডিংয়ের সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে শিক্ষার্থীদের সমস্যায় পড়তে হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত বেঞ্চ ও প্রজেক্টরের অভাব রয়েছে এবং অনুষদের প্রধান ফটকেও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই।
অন্য শিক্ষার্থী নাহিদ জানান, অনুষদের অডিটোরিয়ামের কাজ এখনো শেষ হয়নি এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তিনি জেনারেটর স্থাপনের দাবি জানিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে প্রচণ্ড গরমে শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, কিছু সমস্যা সংশ্লিষ্ট অনুষদ ও ডিনের উদ্যোগে সমাধান করা সম্ভব। উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান জানান, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াইফাই বিষয়ে ডিনদের উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি জেনারেটর বিষয়ে বলেন, নতুন কলা অনুষদ ভবনের জন্য ইতোমধ্যে জেনারেটরের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। তবে জেনারেটর নিয়মিত চালাতে গেলে অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ হবে এবং এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা নিয়ে সমস্যা রয়েছে।
কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন মো. ইকবাল শাহীন খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য ভবনের তুলনায় নতুন কলা ভবনে উন্নত নেটওয়ার্ক অবকাঠামো রয়েছে। তবে ব্যান্ডউইথের সীমাবদ্ধতা মূল সমস্যা। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয়ভাবে যে পরিমাণ ব্যান্ডউইথ নেয়, তা থেকেই সব ভবনে বিতরণ করা হয়। তাই ব্যান্ডউইথ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় প্রশাসনকেই নিতে হবে। ডিন আরও বলেন, পুরো ভবনের জন্য জেনারেটর স্থাপন বাস্তবসম্মত নয় এবং ডিন অফিসেও জেনারেটর নেই।
"শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত বেঞ্চ ও প্রজেক্টরের ব্যবস্থা নেই। এমনকি অনুষদের প্রধান ফটকেও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটলে এর দায়ভার কে নেবে—এমন প্রশ্ন তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান (উপাচার্য), মো. ইকবাল শাহীন খান (ডিন), ফাতেমা ও নাহিদ (শিক্ষার্থী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: জেনারেটর অর্ডার দেওয়া হলেও স্থাপন বাস্তবসম্মত নয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!