📌 নোয়াখালী সরকারি হাসপাতালে টাকা না দিতে প্রসূতিকে তাড়িয়ে দেওয়ার দাবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো একটি এআই ছবি নেপালের ঘটনার ভিত্তিতে তৈরি। গবেষণায় দেখা যায়, ছবিটি ১০০% এআই তৈরি এবং নোয়াখালীর কোনো ঘটনা নয়
নোয়াখালী সরকারি হাসপাতালে টাকা না দিতে প্রসূতিকে চিকিৎসাসেবা না দিয়ে ফুটপাতে সন্তান প্রসবের দাবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো একটি ছবি সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি। গবেষণায় দেখা যায়, এই ছবিটি নেপালের একটি ঘটনার ভিত্তিতে তৈরি এবং নোয়াখালীর কোনো ঘটনা নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 'Alamin Zahid Nirjon' নামের ফেসবুক আইডি থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ছড়ানো একটি ছবি নেপালের ঘটনার ভিত্তিতে তৈরি, যা ১০০ শতাংশ এআই তৈরি
- 📌 ছবিতে দেখা যায় এক নারীকে ফুটপাতে সন্তান প্রসবের অবস্থায়, কিন্তু নোয়াখালী সরকারি হাসপাতালের সাথে কোনো মিল নেই
- 📌 নেপালের 'গজেন্দ্র নারায়ণ সিং সগরমাথা হাসপাতাল'-এ ৮ সেপ্টেম্বর এক দরিদ্র নারীকে টাকা না দিতে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়, পরে ফুটপাতে সন্তান জন্ম দেন
- 📌 নোয়াখালীর ঘটনা ভিত্তিক দাবি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত — এআই ছবির মাধ্যমে নেপালের ঘটনা বাংলাদেশের ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
নোয়াখালী সরকারি হাসপাতালে টাকা না দিতে প্রসূতিকে তাড়িয়ে দেওয়ার দাবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো একটি ছবি সম্পূর্ণ কৃত্রিম। 'Alamin Zahid Nirjon' নামের ফেসবুক আইডি থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর এই ছবি শেয়ার করা হয়। পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, নোয়াখালী সরকারি হাসপাতাল থেকে একজন মাকে টাকা না দেওয়ার কারণে চিকিৎসাসেবা না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত ফুটপাতে সন্তান জন্ম দিতে বাধ্য হয়েছেন। তবে গবেষণায় দেখা যায়, এই ছবিটি সম্পূর্ণ এআই তৈরি এবং নেপালের একটি ঘটনার ভিত্তিতে তৈরি।
গবেষণায় দেখা যায়, নেপালের 'গজেন্দ্র নারায়ণ সিং সগরমাথা হাসপাতাল'-এ ৮ সেপ্টেম্বর ববিতা পাসওয়ান নামের এক নারীকে ২ হাজার ৫০০ নেপালি রুপি খরচ করে পরীক্ষা করাতে বলা হয়। অর্থের অভাবে পরীক্ষা করাতে না পারায় এবং পরীক্ষার রিপোর্ট ছাড়া নার্স ভর্তি নিতে অস্বীকৃতি জানালে পরিবারটি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসে। পরবর্তীতে ভোরের দিকে হাসপাতালের বাইরে ফুটপাতে তিনি পুত্রসন্তান প্রসব করেন। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর নেপালে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
নোয়াখালীর ঘটনা ভিত্তিক দাবি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। গবেষণায় দেখা যায়, ছবিটি সম্পূর্ণ এআই তৈরি এবং নেপালের ঘটনার ভিত্তিতে তৈরি। এআই কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল 'হাইভ মডারেশন'-এর বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১০০ শতাংশ। এছাড়া, নোয়াখালী সরকারি হাসপাতালের গুগল স্ট্রিট ভিউ ছবির সঙ্গেও প্রচারিত ছবির কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
"এই পরিস্থিতি ঠিক করা বর্তমান সরকারের একটি বড় দায়িত্ব। কিন্তু সরকার আমার বাল করবে। মাথা থেকে পা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে আসছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী (ভ্রান্ত দাবি), নেপালের 'গজেন্দ্র নারায়ণ সিং সগরমাথা হাসপাতাল'
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ববিতা পাসওয়ান (নেপাল), 'Alamin Zahid Nirjon' (ফেসবুক আইডি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০% (এআই তৈরি ছবি), ২ হাজার ৫০০ নেপালি রুপি (পরীক্ষা খরচ), ৮ সেপ্টেম্বর (নেপালের ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!