📌 প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেছেন, উড়োজাহাজ চলাচলের নিরাপত্তাকে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জাতীয় উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা দরকার। তিনি বলেন, আধুনিক অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও দক্ষ মানবসম্পদ ছাড়া বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের সম্ভাবনা অর্জন সম্ভব নয়
বিমান চলাচলের নিরাপত্তাকে শুধু একটি পরিচালনব্যয় হিসেবে দেখে চলা নয়, বরং মানুষের জীবন, মূল্যবান সম্পদ ও জাতীয় অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা দরকার। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম এই দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নিরাপদ বিমান চলাচল দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও উড়োজাহাজ খাতের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিমানবন্দর ও অবকাঠামো আধুনিকায়ন চলমান
- 📌 শামছুল ইসলাম বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয় ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়
- 📌 ২১টি দেশের সামরিক ও বেসামরিক বিমানবাহিনীর প্রতিনিধি অংশ নেন সেমিনারে, যার মধ্যে ছিল ব্রাজিল, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
- 📌 সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘টেকনোলজি, ট্রেনিং অ্যান্ড টিমওয়ার্ক: ক্রিয়েটিং আ ফিউচার-রেডি সেফটি মাইন্ডসেট’
- 📌 বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, মানুষের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য ফ্লাইট সেফটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
📰 বিস্তারিত
বুধবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী অষ্টম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার-২০২৬ (আইএফএসএস-২০২৬) সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, নিরাপদ বিমান চলাচল শুধু দুর্ঘটনা প্রতিরোধের বিষয় নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও উড়োজাহাজ খাতের টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি।
শামছুল ইসলাম উল্লেখ করেন, বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বিমানবন্দর, টার্মিনাল ও এয়ার নেভিগেশন ব্যবস্থাসহ অবকাঠামো আধুনিকায়ন চলমান। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের সুফল নিশ্চিত করতে আধুনিক অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, দক্ষ মানবসম্পদ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।
প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উড়োজাহাজ চলাচলের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে তোলার জন্য শামছুল ইসলাম আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। তিনি জাতীয় বিমান সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, মানুষের জীবন ও মূল্যবান সম্পদের সুরক্ষা, অপারেশনাল প্রস্তুতি বজায় রাখা এবং বিমান চলাচল খাতের টেকসই উন্নয়নে ফ্লাইট সেফটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সুদৃঢ় উড্ডয়ন নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
"নিরাপত্তাকে কেবল নিয়ম মেনে চলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুদৃঢ় ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম, এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১টি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!