📌 হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নির্মাণশ্রমিক তারেক মিয়া (২১) আইফোনের লোভে বন্ধু সায়েল মিয়া (২০) কর্তৃক হত্যা করা হয়। সায়েল তারেকের আইফোন-১১ ছিনিয়ে নিয়ে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করে বাটনফোন কিনে নেন। নিহত তারেকের লাশ ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয় এবং সায়েলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নির্মাণশ্রমিকের হত্যাকাণ্ডে আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যা করে সায়েল মিয়া (২০) আইফোনটি বিক্রি করে বাটনফোন কিনে নেন। নিখোঁজ তারেক মিয়া (২১) এর খোঁজে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। তারেকের মরদেহ ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয় এবং সায়েলকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ অক্টোবর রাতে নির্মাণশ্রমিক তারেক মিয়া (২১) আইফোনের লোভে বন্ধু সায়েল মিয়া (২০) কর্তৃক হত্যা করা হয়। তারেকের মরদেহ পাশের ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।
- 📌 ৯ হাজার টাকায় সায়েল তারেকের আইফোন-১১ বিক্রি করে বাটনফোন ও নতুন জামা কেনে নেন।
- 📌 ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে উদ্ধার হওয়া তারেকের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
- 📌 সায়েল মিয়া নবীগঞ্জ থানার পুলিশ কর্তৃক আটক করা হয় এবং হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
- 📌 হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে নির্মাণাধীন ভবনে দুজন বন্ধু কাজ করতেন এবং রাতে থাকতেন।
📰 বিস্তারিত
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন তারেক মিয়া (২১) ও সায়েল মিয়া (২০)। দুজনই একই গ্রামের বাসিন্দা এবং সমবয়সী হওয়ায় ভালো বন্ধু ছিলেন। তারা কাজের সময়ই সেই নির্মাণাধীন ভবনে রাত কাটাতেন। সায়েলের বাবা নুরুজ্জামান মিয়া। তারেকের বাবা বাদী হয়ে সায়েলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন।
সায়েল পুলিশকে স্বীকার করেছেন, তারেকের আইফোন-১১ এর প্রতি তার লোভ ছিল। ২২ অক্টোবর রাতে কাজ শেষে তারা মুঠোফোনে গান-সিনেমা দেখছিলেন। সায়েল তারেককে হত্যা করে আইফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে আসেন। পরদিন সায়েল হবিগঞ্জ শহরের এক ব্যক্তির কাছে ৯ হাজার টাকায় আইফোন বিক্রি করে দেন। এই টাকা দিয়ে সায়েল নতুন জামা ও একটি বাটনফোন কিনে বাড়ি ফেরেন। তারেকের পরিবারের সদস্যরা সন্দেহ করলে নবীগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজের ডায়েরি করেন। পরে পুলিশ তদন্তে সায়েলকে আটক করে নেন।
মঙ্গলবার রাতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সায়েল তারেককে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তারেকের মরদেহ ফুলবাড়িয়া গ্রামের ডোবা থেকে উদ্ধার করে। নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হোসেন জানান, সায়েল পুলিশকে স্পষ্টভাবে বলেছেন, বন্ধুর আইফোনের প্রতি তার লোভ ছিল। ফোনটি নিজের কবজায় নিতে তারেককে হত্যা করেন।
"আইফোনটি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে তারেককে হত্যা করেছি। পরদিন ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করে বাটনফোন ও নতুন জামা কিনেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা, ফুলবাড়িয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সায়েল মিয়া (২০), তারেক মিয়া (২১), নুরুজ্জামান মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ অক্টোবর, ২০ বছর, ২১ বছর, ৯ হাজার টাকা, ২৫০ শয্যা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!