📌 সিরাজগঞ্জের ১৪ বছর বয়সী নাঈম দুর্ঘটনার কারণে বাবা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলার পর পঞ্চম শ্রেণি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এখন তিনি রেস্তোরাঁয়ে দিনে ১০ ঘণ্টা কাজ করে জীবনযাপন করছেন। স্কুলে ফিরতে এবং বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করতে ইচ্ছা করলেও অর্থনৈতিক সংকট তাকে বাধা দিচ্ছে
সিরাজগঞ্জের একটি রেস্তোরাঁয়ে দিনে ১০ ঘণ্টা কাজ করে জীবনযাপন করছেন ১৪ বছর বয়সী নাঈম। দুর্ঘটনার কারণে বাবা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলার পর পরিবারের আর্থিক সংকটে পঞ্চম শ্রেণি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন তিনি। স্কুলে ফিরতে এবং বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করতে ইচ্ছা করলেও দীর্ঘ সময় কাজ করায় সেই সুযোগ পাচ্ছেন না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাঈম (১৪) সিরাজগঞ্জের রেস্তোরাঁয়ে দিনে ১০ ঘণ্টা কাজ করে জীবন চালাচ্ছেন
- 📌 পঞ্চম শ্রেণি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন বাবার দুর্ঘটনার কারণে পরিবারের আর্থিক সংকটে
- 📌 ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় চলে যান পোশাক কারখানায় কাজের জন্য, কিন্তু শারীরিক সক্ষমতা কম থাকায় কাজ ছেড়ে দিতে হয়
- 📌 স্কুলে ফিরতে এবং বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করতে ইচ্ছা করলেও কাজের চাপ তাকে বাধা দিচ্ছে
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জ শহরের একটি রেস্তোরাঁয়ে দিনে ১০ ঘণ্টা কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন নাঈম। তিনি বলেন, “পড়াশোনা করে বড় কিছু হওয়ার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু পরিবারের আর্থিক সংকটে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এতে পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস বন্ধ হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে পড়াশোনা ছেড়ে কাজে নামতে হয় আমাকে।”
নাঈম জানান, পরিবারের খরচ জোগাতে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় চলে যান তিনি। সেখানে একটি পোশাক কারখানায় কাজ নেন, কিন্তু বয়সের তুলনায় শারীরিক সক্ষমতা কম থাকায় সেই কাজ ছেড়ে দিতে হয়। পরে সিরাজগঞ্জে ফিরে এসে রেস্তোরাঁয়ে কাজ নেন। এখনও স্কুলে ফিরতে এবং বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করতে ইচ্ছে করে, কিন্তু দীর্ঘ সময় কাজ করায় সেই সুযোগ পাচ্ছেন না।
"এরপর পরিবারের খরচ জোগাতে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় চলে যাই। সেখানে একটি পোশাক কারখানায় কাজ নিই। কিন্তু বয়সের তুলনায় শারীরিক সক্ষমতা কম থাকায় সেই কাজ ছেড়ে দিতে হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ শহর, রেস্তোরাঁ, ঢাকা, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাঈম (১৪ বছর), বাবা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর বয়স, ১০ ঘণ্টা কাজ, পঞ্চম শ্রেণি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!