📌 ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পে ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বড় বাজেটে তিনটি প্রকল্পের মধ্যে লাইন-১-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি পেয়েছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। জাপানের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে এই প্রকল্প, যা বাংলাদেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল
ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পে ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বড় বাজেটে তিনটি প্রকল্পের মধ্যে লাইন-১-এর দুটি মূল চুক্তি পেয়েছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। এই চুক্তি বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা তৈরি করছে। জাপানের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে ঢাকার প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল প্রকল্প, যেখানে এলঅ্যান্ডটি রেললাইন, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সংকেতব্যবস্থা ও টেলিযোগাযোগের কাজের দায়িত্ব পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার** বাজেটে ঢাকায় তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পের মধ্যে লাইন-১-এর দুটি চুক্তি পেয়েছে এলঅ্যান্ডটি
- 📌 **সিপি০৯ প্যাকেজে** রেললাইন স্থাপন, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা ও ট্র্যাকশন সাবস্টেশন নির্মাণের কাজ পেয়েছে এলঅ্যান্ডটি
- 📌 **সিপি১০ প্যাকেজে** সংকেতব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ ও প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপনের দায়িত্ব পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি
- 📌 **৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ** লাইন-১ প্রকল্পে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর ও নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত দুটি রুট রয়েছে
- 📌 **১৯টি স্টেশন ও একটি ডিপো** থাকবে এই প্রকল্পে, যা ঢাকাবাসীদের জন্য নিরাপদ ও বিশ্বমানের গণপরিবহণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে
- 📌 **জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির** সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানি বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পে ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে তিনটি প্রকল্পের মধ্যে লাইন-১-এর দুটি মূল চুক্তি পেয়েছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। এই চুক্তি বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা তৈরি করছে। জাপানের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে ঢাকার প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল প্রকল্প, যেখানে এলঅ্যান্ডটি রেললাইন, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সংকেতব্যবস্থা ও টেলিযোগাযোগের কাজের দায়িত্ব পেয়েছে।
এলঅ্যান্ডটির পরিবহণ অবকাঠামো বিভাগ বাংলাদেশের ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের (লাইন-১) দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্যাকেজের নকশা ও নির্মাণকাজের চুক্তি পেয়েছে। চুক্তি দুটি হলো—কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ সিপি০৯, যার আওতায় রেললাইন স্থাপন ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজ হবে; এবং কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ সিপি১০, যার আওতায় সংকেতব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ ও প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপন করা হবে।
৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পে কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিমানবন্দর রুট এবং নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত পূর্বাচল রুট রয়েছে। এতে থাকবে ১৯টি স্টেশন এবং পিতলগঞ্জে একটি ডিপো। এলঅ্যান্ডটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান রামকুমার এস বলেছেন, ‘ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কাছ থেকে আবারও কাজের চুক্তি পাওয়া বিশ্বজুড়ে বৃহৎ ও সমন্বিত নগর পরিবহণ প্রকল্প বাস্তবায়নে এলঅ্যান্ডটির সক্ষমতার প্রমাণ।’
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠকের পর টোকিওতে এক যৌথ বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ধাপে অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
"ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে এবং নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা রয়েছে আমাদের। সম্প্রতি জাকার্তা মেট্রোরেল প্রকল্পেও কাজ চলছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে একাধিক ব্যবস্থা নির্বিঘ্নে একীভূত করার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আমরা ভালো অবস্থানে রয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, রামকুমার এস (এলঅ্যান্ডটি), সানায়ে তাকাইচি (জাপানের প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা (মোট বাজেট), ৩১ কিলোমিটার (লাইন-১ দৈর্ঘ্য), ১৯টি স্টেশন, ৫ হাজার কোটি রুপি (চুক্তির মূল্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!