📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডিমলায় সরকারি কোটি টাকার উদ্ধারকারী বোটগুলো এখন অচল,

ডিমলায় সরকারি কোটি টাকার উদ্ধারকারী বোটগুলো এখন অচল,

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নীলফামারীর ডিমলায় সরকারি অর্থে ক্রয়কৃত তিনটি আধুনিক উদ্ধারকারী বোট অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বোটগুলোর ইঞ্জিন বিকল, পাটাতন ভেঙে গেছে এবং যন্ত্রাংশ হারিয়ে গেছে। চালকদের দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগও উঠেছে

নীলফামারীর ডিমলায় সরকারি অর্থে ক্রয়কৃত তিনটি আধুনিক উদ্ধারকারী বোট অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বোটগুলোর ইঞ্জিন বিকল, পাটাতন ভেঙে গেছে এবং যন্ত্রাংশ হারিয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চালকদের বেতন না পাওয়ার কারণে দায়িত্ব পালনেও বিঘ্ন ঘটছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২০-২১ অর্থবছরে সারা দেশে ৬০টি উদ্ধারকারী বোট ক্রয় করা হয়, যার প্রতিটির দাম ছিল ৮৮ লাখ টাকার বেশি।
  • 📌 নীলফামারী জেলার জন্য বরাদ্দকৃত তিনটি বোটের মধ্যে দু’টি ডিমলা উপজেলায় এবং একটি জলঢাকায় রাখা হয়।
  • 📌 তিনটি বোট ক্রয়ে ব্যয় হয় দুই কোটি ৬৪ লাখ টাকারও বেশি।
  • 📌 প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় বোটগুলো অচল হয়ে পড়েছে।
  • 📌 চালকদের প্রায় ১৭ মাস ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

বন্যা ও দুর্যোগের সময় বিপদগ্রস্ত মানুষকে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য সরকারি অর্থে ক্রয় করা তিনটি উদ্ধারকারী বোট এখন নিজেরাই উদ্ধারের অপেক্ষায় রয়েছে। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি এলাকায় রাখা একটি বোট পুরোপুরি তিস্তা নদীর পানিতে ডুবে আছে। অপর দু’টি বোটও অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বোটগুলোর পাটাতন ভেঙে গেছে, লৌহাংশে মরিচা ধরেছে এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ হারিয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল হালিম বলেন, ‘বন্যার সময় এসব বোট দেখলে মানুষের মধ্যে ভরসা তৈরি হতো। এখন বোটগুলোই যদি অচল হয়ে থাকে, তাহলে দুর্যোগের সময় বিপদগ্রস্ত মানুষকে উদ্ধার করা হবে কিভাবে?’ কিসামত চর গ্রামের রবিউল ইসলাম জানান, তিস্তা নদীর ভাঙন ও বন্যায় প্রতিবছর তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অথচ মানুষের জীবন রক্ষার জন্য কেনা বোট নদীর পানিতে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।’

এদিকে উদ্ধারকারী বোটগুলোর সাথে দায়িত্বে থাকা চালকরাও দীর্ঘদিন বেতন-ভাতা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। সংশ্লিষ্ট চালকদের দাবি, প্রায় ১৭ মাস ধরে তারা কোনো বেতন পাচ্ছেন না। বেতন না পেলেও বোটগুলোর দেখভালের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে তাদের। চালক রুবেল ও জাভেদ জানান, বোটগুলো সচল না থাকলেও নিয়মিত পাহারা দিতে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন বেতন ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায় দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।’

‘কোটি টাকা খরচ করে সরকারি সম্পদ কেনার পর তা ফেলে রেখে নষ্ট হতে দেয়া জনগণের অর্থের অপচয়।’ — স্থানীয় কৃষক আরিফ ইসলাম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মনোয়ারুল ইসলাম, ডিমলা উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান সরকার, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০টি (বোট), ৮৮ লাখ টাকা (প্রতি বোটের দাম), দুই কোটি ৬৪ লাখ টাকা (মোট ব্যয়), ১৭ মাস (বেতন না পাওয়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖