📌 কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় গ্রাম্য সালিশে ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করেন। ঘটনার ১১ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় গ্রাম্য সালিশে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার বিকেলে উপজেলার একটি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন কর্তৃক প্রকাশ্যে এক নারীর জুতাপেটা
- 📌 ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তীব্র সমালোচনা
- 📌 ভুক্তভোগী নারীর স্বামী প্রবাসী এবং ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছে পরকীয়ার অভিযোগ
- 📌 সালিশে শতাধিক মানুষ উপস্থিত থাকলেও কেউ প্রতিবাদ করেননি
- 📌 ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় গত সোমবার বিকেলে গ্রাম্য সালিশে ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন এক নারীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়। ভুক্তভোগী নারীর স্বামী প্রবাসী হওয়ায় সালিশে তার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ আনা হয়। সালিশে শতাধিক মানুষ উপস্থিত থাকলেও কেউ প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি।
ভিডিওতে দেখা যায়, ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন চেয়ারে বসে থাকা অবস্থায় ভুক্তভোগী নারীকে সামনে ডেকে এনে তিনবার জুতাপেটা করেন। পরে দাঁড়িয়ে আরও তিনবার তাকে মারেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি ধরেননি।
স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে তিনি ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য দেন। তিনি দাবি করেন, প্রবাসী স্বামীর সংসারে থেকে নারী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। লোকজন তাদের হাতেনাতে আটক করেন। তিনি পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়ে সামাজিক বিচারের রায় কার্যকর করেছেন বলে জানান। তিনি আরও দাবি করেন, কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটি ছড়িয়ে দিতে পারে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি ইউএনওকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। ব্রাহ্মণপাড়ার ইউএনও মুন্নী ইসলাম জানান, ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালত থাকলেও বিচারের নামে এমন ঘটনা ঘটানো আইনত অবৈধ। তারা তদন্ত শেষে বিস্তারিত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
‘প্রবাসী স্বামীর সংসারে থেকে ওই নারী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। লোকজন তাঁদের হাতেনাতে আটক করেন। আমি সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেছি। সামাজিক বিচারের রায় আমি কার্যকর করেছি মাত্র। সেটি না করলে এলাকার বিক্ষুব্ধ লোকজন বড় ধরনের ঝামেলা সৃষ্টি করত।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফরিদ উদ্দিন, ভুক্তভোগী নারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ সেকেন্ড (ভিডিওর দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!