📌 মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দামে বেড়ে গেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর ব্যয়। গত ছয় মাসে ২৩ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হয়েছে, যার ফলে অক্টোবরে জ্বালানি আমদানির জন্য এলসি খোলা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বিপিসি সরকারের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে ১০টি চিঠি পাঠিয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দামে বেড়ে গেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর অর্থসংকট। গত ছয় মাসে সংস্থাটি অতিরিক্ত ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। এতে অক্টোবরে জ্বালানি আমদানির জন্য এলসি খোলা কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে বিপিসি কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ছয় মাসে বিপিসির অতিরিক্ত ব্যয়: ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা
- 📌 ১১ মার্চ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠির সংখ্যা: ১০টি
- 📌 বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলামের চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে
- 📌 জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন
- 📌 ইস্টার্ন রিফাইনারির তহবিল থেকে ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে
- 📌 ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয়: ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলার (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা)
- 📌 ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয়ের তুলনায় বেড়েছে ১০৭ শতাংশ
- 📌 পিওএল পণ্যে ব্যয় বেড়েছে ১০৯.১ শতাংশ
📰 বিস্তারিত
বিপিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে গত ছয় মাসে সংস্থাটি প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ করেছে। এ বিষয়ে সরকারকে জানানো হয়েছে। তবে সরকারি উদ্যোগ না থাকলে অক্টোবরে জ্বালানি আমদানির জন্য এলসি খোলা কঠিন হয়ে পড়বে। বিপিসির তথ্যমতে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তত দুই মাসের জ্বালানি আমদানির সমপরিমাণ কার্যকরী মূলধন রাখা জরুরি। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদর অনুযায়ী, এই লক্ষ্যপূরণে তাদের অতিরিক্ত ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন। মূলত বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে সেই অনুপাতে দাম না বাড়ানোয় এই অর্থের প্রয়োজন হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য বিপিসি ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট এবং অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য রাখা তহবিল থেকে ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি তেল আমদানির ব্যয় প্রথমবারের মতো ১০ বিলিয়ন ডলারের সীমা ছাড়িয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম, তেল ও লুব্রিকেন্ট (পিওএল) আমদানিতে ব্যয় হয়েছে রেকর্ড ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা)।
পদ্মা অয়েলের সাবেক কর্মকর্তা আসিফ মালেক বলেছেন, ‘দেশের জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় স্থানীয় রিসোর্স বাড়ানো দরকার। ক্যাপাসিটি বাড়ানোর নতুন নতুন ট্যাংক বানানো দরকার। মধ্যপ্রাচ্যে গোলযোগ থাকায় মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় বাজার খোঁজা উচিত।’
"দেশের জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় স্থানীয় রিসোর্স বাড়ানো দরকার। ক্যাপাসিটি বাড়ানোর নতুন নতুন ট্যাংক বানানো দরকার। মধ্যপ্রাচ্যে গোলযোগ থাকায় মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় বাজার খোঁজা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রফিকুল ইসলাম (বিপিসি চেয়ারম্যান), আসিফ মালেক (পদ্মা অয়েলের সাবেক কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা (অতিরিক্ত ব্যয়), ১০টি চিঠি, ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলার (২০২৫-২৬ অর্থবছরের জ্বালানি আমদানি ব্যয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!