📌 চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অচেতন করে চুরির অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটে এবং বুধবার সকালে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার মিরসরাই সদর ইউনিয়নের পশ্চিম কিছমত জাফরাবাদ এলাকায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে অচেতন করে চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঘটনার স্থান: মিরসরাই সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম কিছমত জাফরাবাদ এলাকা
- 📌 ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য: বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী (৪০), জেরিন (৩০), শাহাবুদ্দিন চৌধুরী (৫০), ইরফান উদ্দিন চৌধুরী (২৮), মাইমুনা (২৫)
- 📌 ঘটনার সময়: মঙ্গলবার রাত ১১টা
- 📌 প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, খোয়া গেছে নগদ অর্থ ও বিভিন্ন জিনিসপত্র
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার রাতের খাবার খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা একে একে ঘুমিয়ে পড়েন। বুধবার সকালে পার্শ্ববর্তী ঘরের লোকজন তাঁদের অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত তাঁদের মিঠাছরা ডায়নামিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, খাবার খাওয়ার পরপরই তিনি ও তাঁর স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে স্বজনেরা তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, চুরির উদ্দেশ্যে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে দিয়েছিল।
পরিবারের স্বজন অয়ন চৌধুরী জানান, রাত ১১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা খাবার খান। সকালে তাঁদের অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে কী পরিমাণ নগদ অর্থ ও মালামাল খোয়া গেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পার্শ্ববর্তী আরেক বাড়ির বাসিন্দা তারেক আজিজ নোবেল জানান, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রান্নাঘরে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তরকারিতে কিছু মেশানোর চেষ্টা করেন। পরিবারের এক সদস্য ওয়াশরুমে যাওয়ার জন্য লাইট জ্বালালে ওই ব্যক্তি পালিয়ে যান।
‘রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই আমি ও আমার স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে স্বজনেরা আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এখনো চোখে ঘুমের ভাব রয়েছে। ধারণা করছি, চুরির উদ্দেশ্যে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক কোনো দ্রব্য মিশিয়ে দিয়েছিল।’ — বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরসরাই সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম কিছমত জাফরাবাদ এলাকা, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী (৪০), জেরিন (৩০), শাহাবুদ্দিন চৌধুরী (৫০), ইরফান উদ্দিন চৌধুরী (২৮), মাইমুনা (২৫)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন ভুক্তভোগী, ৪০ বছর, ৩০ বছর, ৫০ বছর, ২৮ বছর, ২৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!