📌 বরিশালের বাবুগঞ্জে সরকারি খাসজমি উচ্ছেদের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুনর্দখলের অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানের পর রাতেই জমিটি অবৈধভাবে পুনর্দখল করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা অবশ্য কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সরকারি খাসজমি উচ্ছেদ অভিযানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুনর্দখলের অভিযোগ উঠেছে দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানের পর রাতেই জমিটি অবৈধভাবে পুনর্দখল করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরিশালের বাবুগঞ্জে সরকারি খাসজমি উচ্ছেদের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুনর্দখলের অভিযোগ ইউপি সদস্য নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে
- 📌 রাহুতকাঠি বন্দরের সরকারি খাসজমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ স্থানীয়দের
- 📌 ১১ আগস্ট বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে জমিটি দখলমুক্ত হলেও রাতেই পুনর্দখল করা হয়
- 📌 ইউপি সদস্য নার্গিস বেগম সরকারি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জমিটি তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি
- 📌 বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না জানান, উচ্ছেদের পর পুনর্দখলের কোনো সুযোগ নেই
📰 বিস্তারিত
বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে সরকারি খাসজমি পুনর্দখলের অভিযোগ উঠেছে। রাহুতকাঠি বন্দরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি খাসজমিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অসন্তোষের মুখে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১১ আগস্ট বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার তামান্নার নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় খাসজমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে জমিটি দখলমুক্ত করা হয়।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর ওই রাতেই জমিটি পুনরায় দখল করা হয়। দেহেরগতি ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নার্গিস বেগম ও তাঁর লোকজন জমিটি দখল করে বেড়া ও ত্রিপল দিয়ে ঘিরে ফেলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘সরকারি জমি দখলমুক্ত করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যদি আবার দখল হয়ে যায়, তাহলে উচ্ছেদ অভিযানের সার্থকতা কোথায়?’
সরকারি জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য নার্গিস বেগম দাবি করেন, রাহুতকাঠি বন্দরের ওই জমিটি তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি এবং এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মামলা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন তাঁদের দোকানঘর উচ্ছেদ করেছে।
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না জানান, সরকারি খাসজমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বা উচ্ছেদের পর পুনর্দখলের কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের চেষ্টা করা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"সরকারি খাসজমি দখলমুক্ত করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যদি আবার দখল হয়ে যায়, তাহলে উচ্ছেদ অভিযানের সার্থকতা কোথায়? শুধু উচ্ছেদ করলেই হবে না, সরকারি জমির সীমানা নির্ধারণ করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলা, দেহেরগতি ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউপি সদস্য নার্গিস বেগম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ আগস্ট, ৪, ৫, ৬ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!