📌 কক্সবাজার সমুদ্রতট থেকে সাইকেলে নেপাল অভিযান শুরু করেছেন রাঙামাটির অভিযাত্রী বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। তাঁর লক্ষ্য চারটি দুর্গম ট্রেইল অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা
কক্সবাজারের সমুদ্রতট থেকে সাইকেলে নেপাল অভিযান শুরু করেছেন রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের অভিযাত্রী বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। তাঁর বহুল প্রতীক্ষিত ‘সি টু হিমালয়াস’ অভিযানের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় রোববার সকাল ৮টা ৩৯ মিনিটে কক্সবাজার কবিতা চত্বরের সৈকত থেকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযাত্রী বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা কক্সবাজার থেকে সাইকেলে নেপাল অভিযান শুরু করেন
- 📌 অভিযানের লক্ষ্য চারটি দুর্গম ট্রেইল—মানাসলু সার্কিট, অন্নপূর্ণা সার্কিট, অন্নপূর্ণা বেজক্যাম্প ও এভারেস্ট বেজক্যাম্প অতিক্রম করা
- 📌 অভিযানের পুরো পথ সাইকেল ভ্রমণের মাধ্যমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা
- 📌 আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য
- 📌 অভিযানটি সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা কামনা করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা তাঁর অভিযানের অংশ হিসেবে কক্সবাজার থেকে ঢাকার দিকে যাত্রা শুরু করেন। এরপর তিনি পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি হয়ে নেপাল সীমান্তে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করেছেন। অভিযানের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা বহন করবেন বলে জানিয়েছেন।
বীর কুমার জানান, সাধারণত বাংলাদেশি অভিযাত্রীরা বিমানে নেপাল গিয়ে সেখান থেকে সাইকেল অভিযান শুরু করেন। কিন্তু তিনি অভিযানের পুরো পথটাই সাইকেল ভ্রমণের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে চান। তাঁর এই অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা এবং দেশের অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের সম্ভাবনাকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা।
দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির পর শুরু হয়েছে এই অভিযান। প্রয়োজনীয় অনুমতি, ভিসা ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে কাপ্তাই, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও ঢাকায় একাধিকবার আসতে হয়েছে তাঁকে। নানা প্রতিবন্ধকতা ও আর্থিক সংকটের মধ্যেও নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে গেছেন তিনি।
"এই অভিযান শুধু ব্যক্তিগত স্বপ্নপূরণের জন্য নয়, বরং বিশ্বের সামনে বাংলাদেশের সক্ষমতা, সৌন্দর্য ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার একটি প্রয়াস। একই সঙ্গে দেশের অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করাও আমার অন্যতম উদ্দেশ্য।"
বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংক ও ওয়াগ্গা ভলান্টিয়ার্সের প্রতিষ্ঠাতা। দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছায় রক্তদান, মানবসেবা ও জলবায়ু ন্যায্যতা বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন তিনি। তাঁর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ৯০ দিনের সার্ক স্টিকার ভিসার সময়সীমার মধ্যে পুরো অভিযান সম্পন্ন করা এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ দিন, ৫ হাজার ৭০০ কিলোমিটার, ৬৪টি জেলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!