📌 কুষ্টিয়ার সংসদ সদস্য আমির হামজা সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের জন্য কাজ না করলে তাদের কুষ্টিয়া থেকে বিদায় নিতে হবে। একইসঙ্গে তিনি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধের হুঁশিয়ারিও দেন
কুষ্টিয়ার সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতে হবে; অন্যথায় তাদের বিদায় নিতে হবে। রোববার বিকেলে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতে হবে, অন্যথায় কুষ্টিয়া থেকে বিদায় নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আমির হামজা
- 📌 কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় রোববার বিকেলে
- 📌 আমির হামজার ব্যক্তিগত গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে আয়োজন করা হয় কর্মসূচির
- 📌 তিনি বলেন, বাংলাদেশে আর কোনো সন্ত্রাসী দল নেই, গণ অধিকার পরিষদ গণধিকৃত পরিষদে পরিণত হয়েছে
- 📌 চাঁদাবাজি বন্ধেরও হুঁশিয়ারি দেন তিনি, বলেন ‘এই আসনে আমিই সরকার’
- 📌 গাড়িতে হামলার ঘটনায় ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের
📰 বিস্তারিত
কুষ্টিয়ার সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতে হবে; অন্যথায় তাদের কুষ্টিয়া থেকে বিদায় নিতে হবে। রোববার বিকেলে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
গত শনিবার সন্ধ্যায় তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে আয়োজন করা হয় কর্মসূচির। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘কোনো দলের লেজুড়বৃত্তি করা যাবে না। আপনারা সরকারি লোক, সরকারি দায়িত্ব পালন করবেন। এই কুষ্টিয়ায় ডিসি, এসপি, ইউএনও, ওসি—যাঁরা সরকারি দায়িত্বে আছেন, জনগণের জন্য যদি কাজ করেন, কুষ্টিয়ায় থাকবেন। জনগণের জন্য কাজ না করলে আপনাদের আমরা বিদায় দিতে বাধ্য হব।’
বিকেল পাঁচটার দিকে কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নেতা-কর্মীরা মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে অনেকের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায়। তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলটি মজমপুর এলাকা হয়ে এসএন রোড দিয়ে শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে যায়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সেখানে মিছিল শেষ হয়। পরে থানাপাড়া মসজিদের সামনে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
আমির হামজা বলেন, ‘আমি এর আগেও বলেছি, এখনো বলছি—তাদের সভাপতি আর সেক্রেটারি ছাড়া বাংলাদেশে আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সুতরাং বাংলাদেশে সন্ত্রাসী দল এটা। এখন আর গণ অধিকার পরিষদ নেই, এটা গণধিকৃত পরিষদে পরিণত হয়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। আমার সামনে পুলিশের গাড়ি ছিল, পেছনে পুলিশের গাড়ি ছিল। এরপরও তারা যদি আমার গাড়িতে হামলা করে, আমাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে হামলা করার সাহস পায়, তাহলে এদের সন্ত্রাসী বলতে আর বাধা নেই।’
জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবির ও তৌহিদি জনতা কুষ্টিয়ায় থাকা পর্যন্ত কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা মামলা দিয়েছি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা না হয়, তাহলে আমরা ডিসি অফিস ঘেরাও করব।’
কুষ্টিয়ায় চাঁদাবাজি বন্ধেরও হুঁশিয়ারি দেন আমির হামজা। তাঁর ভাষ্য, ‘আমি তো বলেছি, এখানকার সরকারই আমি। সুতরাং এই আসনে কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। কেউ চাঁদা দেবেন না, কেউ কারও কাছে চাঁদা নেবেন না। কেউ চাঁদা চাইলে বলবেন—এমপি সাহেবের কাছে দেওয়া আছে, সেখান থেকে ভাগ নিয়েন।’
বক্তব্যের শেষে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে দেওয়া রাজনৈতিক তকমার সমালোচনা করেন আমির হামজা। তিনি বলেন, গত ৫৫ বছরে জামায়াত-শিবিরের ওপর বিভিন্ন ট্যাগ দেওয়ার যে রাজনীতি হয়েছে, তা ভারতের একটি ‘নাটক’। বাংলাদেশে এখন আর কেউ এসব গ্রহণ করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না।’
‘তাদের সভাপতি আর সেক্রেটারি ছাড়া বাংলাদেশে আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সুতরাং বাংলাদেশে সন্ত্রাসী দল এটা। এখন আর গণ অধিকার পরিষদ নেই, এটা গণধিকৃত পরিষদে পরিণত হয়ে গেছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমির হামজা (সংসদ সদস্য, কুষ্টিয়া-৩)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ জন, ৪০ থেকে ৫০ জন, ২৪ ঘণ্টা, ৫৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!