📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের সান্ধ্য আইন বাতিলের দাবিতে ৭৪ বিশিষ্ট নাগরিক বিবৃতি দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, নিরাপত্তার অজুহাতে নারী শিক্ষার্থীদের চলাফেরার স্বাধীনতা সীমিত করা বৈষম্যমূলক এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রী হলের বিদ্যমান সান্ধ্য আইন বাতিলের দাবিতে সরব হয়েছেন শিক্ষক, লেখক, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশার ৭৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক। সোমবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা উল্লেখ করেন, নিরাপত্তার নামে নারী শিক্ষার্থীদের চলাফেরার স্বাধীনতা সীমিত করা বৈষম্যমূলক ও মানবাধিকারবিরোধী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের সান্ধ্য আইন বাতিলের দাবিতে ৭৪ বিশিষ্ট নাগরিক বিবৃতি দিয়েছেন
- 📌 বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তার অজুহাতে নারী শিক্ষার্থীদের চলাফেরার স্বাধীনতা সীমিত করা বৈষম্যমূলক
- 📌 টিউশনি শেষে দেরিতে হলে ফেরা বা রাতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার ক্ষেত্রেও সান্ধ্য আইন বাধা হয়ে দাঁড়ায় বলে উল্লেখ করা হয়
- 📌 স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, শহীদুল আলম, ইফতেখারুজ্জামান, মোশাহিদা সুলতানা প্রমুখ
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের সান্ধ্য আইন বাতিলের দাবিতে ৭৪ বিশিষ্ট নাগরিক এক বিবৃতিতে বলেছেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধের দ্রুত বিচার করা; নারীদের ঘরে আটকে রাখা নয়। তাঁরা উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যেসব শিক্ষার্থী সান্ধ্য আইন ভেঙে রাস্তায় নেমেছিলেন, তাঁদেরই এখন এই বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শুধু নারী হওয়ার ভিত্তিতে চলাফেরায় বিধিনিষেধ আরোপ বৈষম্যের প্রশ্ন তুলে ধরে। রাতে জনপরিসরকে নিরাপদ করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের বলে উল্লেখ করে স্বাক্ষরকারীরা জানান, ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের আলোকে এই আইনের বিরুদ্ধে সংহতি জানানো হয়েছে।
স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও লেখক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, লেখক ও অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহীদুল আলম, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা, শিল্পী সায়ান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা, লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, আইনজীবী মানজুর আল মতিন প্রমুখ।
"নিরাপত্তার অজুহাতে নারী শিক্ষার্থীদের চলাফেরার স্বাধীনতা সীমিত করা বৈষম্যমূলক। রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধের দ্রুত বিচার করা; নারীদের ঘরে আটকে রাখা নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, শহীদুল আলম, ইফতেখারুজ্জামান, মোশাহিদা সুলতানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!