📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পালানো ৫১৯ জন বন্দীর মধ্যে ১৮২ জনের পরিচয় ও তথ্য কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে অনুপস্থিত। ফলে তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না। আইজি প্রিজনের মতে, দেশে বা বিদেশে থাকা এসব বন্দীর অবস্থান শনাক্ত করা অত্যন্ত দুরূহ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৫১৯ জন বন্দীর মধ্যে ১৮২ জনের পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য কারাগার অধিদপ্তরের নথিতে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পালানো ৫১৯ জন বন্দীর মধ্যে ১৮২ জনের পরিচয় ও তথ্য হারিয়ে গেছে কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে।
- 📌 তাদের পরিচয় শনাক্ত করা না গেলে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইজি প্রিজন।
- 📌 দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া বন্দীদের মধ্যে জঙ্গি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন আসামিরাও রয়েছেন।
- 📌 কারাগার থেকে পালানোর সময় ১৬ জন বন্দী নিহত হন।
- 📌 নরসিংদী ও শেরপুর কারাগার থেকে ৯৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও প্রায় ১০ হাজার গুলি লুট হয়।
📰 বিস্তারিত
২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নরসিংদী জেলা কারাগারে হামলা চালিয়ে ৮২৬ জন বন্দী পালিয়ে যান। এছাড়া একই সময়ে শেরপুর কারাগার থেকেও বহু বন্দী পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়া বন্দীদের মধ্যে ১৮২ জনের পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য কারাগার অধিদপ্তরের কাছে অনুপস্থিত বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, "পলাতক ছয় শতাধিক কয়েদিকে এখনো কারাগারে ফেরানো যায়নি। তাদের কেউ কেউ হয়তো বিদেশেও পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারে। দেশে থাকা পলাতক বন্দীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে ১৮২ জনের বিষয়ে কোনো তথ্যই পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি তাদের পরিচয়ও সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না।"
তিনি আরও বলেন, কারাগার থেকে পালানোর সময় ১৬ জন বন্দী নিহত হন। তাদের মধ্যে গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে ছয়জন, জামালপুর কারাগারে সাতজন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দুজন এবং চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের একজন ছিলেন।
"কারাগারে যাদের নথিপত্র নেই, তাদের শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। অনেক ক্ষেত্রে থানায় তাদের তথ্য থাকার কথা থাকলেও হামলা ও অগ্নিসংযোগে সেসব স্থানের অনেক নথিও নষ্ট হয়েছে। তাই এই ১৮২ জনের পরিচয় শনাক্ত করতে একপ্রকার বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নরসিংদী, শেরপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, জামালপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১৯ জন, ১৮২ জন, ১৬ জন, ৯৪টি অস্ত্র
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!