📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৭৭৪ সালের চিঠিতে উঠে এল ঢাকার গোপন প্রত্নরত্ন: কালে খাঁ কামান ও বিবি মরিয়ম কামানের গল্প

১৭৭৪ সালের চিঠিতে উঠে এল ঢাকার গোপন প্রত্নরত্ন: কালে খাঁ কামান ও বিবি মরিয়ম কামানের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৭৭৪ সালে ঢাকার ইংরেজ কর্মকর্তা মি. জে সি লন্ডনের ড. হকারওয়ার্থকে একটি চিঠি লিখেছিলেন, যেখানে তিনি বুড়িগঙ্গায় তলিয়ে থাকা কালে খাঁ কামান ও বিবি মরিয়ম কামানের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছিলেন। চিঠিতে উল্লেখিত কামানটির আকার ও নির্মাণ পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য ছিল, যা পরবর্তীকালে জেন্টলম্যান ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিল

১৮ শতকের ঢাকা ছিল মসজিদের শহর নয়, কামানের শহর। মোগল আমলে নির্মিত নানা আকারের কামান এখনও ঢাকার মাটির নিচে লুকিয়ে আছে। এর মধ্যে দুটি কামান বিশেষভাবে ইতিহাসপ্রেমীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে — বিবি মরিয়ম কামান, যা বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে অবস্থিত, এবং বুড়িগঙ্গায় তলিয়ে থাকা কালে খাঁ কামান। এই কামানগুলির গল্প উঠে এল ১৭৭৪ সালের একটি চিঠির মাধ্যমে, যা ঢাকার ইংরেজ কর্মকর্তা মি. জে সি লন্ডনের ড. হকারওয়ার্থকে লিখেছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৭৭৪ সালের ৮ জানুয়ারি ঢাকার ইংরেজ কর্মকর্তা মি. জে সি লন্ডনে একটি চিঠি লিখেছিলেন, যেখানে তিনি বুড়িগঙ্গার একটি দ্বীপে (নদীর চর) পড়া কালে খাঁ কামান ও দুটি পাথরের বলের বর্ণনা দিয়েছিলেন।
  • 📌 চিঠিতে উল্লেখিত কামানটির আকার: ৩৪ ফুট লম্বা, ২২ ফুট প্রস্থ, ১০ ইঞ্চি মোটা — যা লন্ডনের টাওয়ারে প্রদর্শিত অনুরূপ কামানের চেয়ে অধিক সুনির্মিত ছিল।
  • 📌 কামানটির নির্মাণ পদ্ধতি ছিল লোহার দণ্ড ও আংটার মাধ্যমে সংযুক্ত — যা প্রথম দৃষ্টিতে ঢালাই করা মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে তা ছিল দণ্ড ও আংটার সংযোগ।
  • 📌 মি. জে সি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে, কালে খাঁ কামানের উৎস ও কীভাবে এটি ঢাকায় এসেছে — তা জানতে পারেননি স্থানীয় বয়স্কদের কাছ থেকে।
  • 📌 চিঠির সাথে কামানের পরিমাপ ও সেকশনাল ড্রয়িং সংযুক্ত ছিল, যা পরবর্তীকালে জেন্টলম্যান ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিল।
  • 📌 মি. জে সির চিঠি ১৭৭৪ সালের ঢাকার ইংরেজ ফ্যাক্টরির কর্মকর্তাদের তালিকা থেকে পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু তার পুরো নাম জানা যায়নি।
  • 📌 কালে খাঁ কামানের নামকরণের উৎস অজানা — তবে লোকমুখে এই নাম প্রচলিত ছিল।
  • 📌 বিবি মরিয়ম কামান বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে অবস্থিত, যা মীর জুমলার বিবির নামে পরিচিত।

📰 বিস্তারিত

১৭৭৪ সালের ৮ জানুয়ারি ঢাকার ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা মি. জে সি লন্ডনের ড. হকারওয়ার্থকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিতে তিনি ঢাকার বুড়িগঙ্গার একটি দ্বীপে (নদীর চর) পড়া একটি বিশাল কামানের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, “এই শহরের বিপরীত দিকে আমাদের ফ্যাক্টরি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে একটি ছোট দ্বীপ রয়েছে; সেখানে পড়ে আছে এযাবৎ আমার দেখা সর্ববৃহৎ একটি যুদ্ধাস্ত্র (কামান) ও দুটি পাথরের বল।” কামানটির আকার ছিল ৩৪ ফুট লম্বা, ২২ ফুট প্রস্থ এবং ১০ ইঞ্চি মোটা। তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, কামানটি প্রথম দৃষ্টিতে ঢালাই করা মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে তা ছিল লোহার দণ্ড ও আংটার মাধ্যমে সংযুক্ত।

মি. জে সি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে, কামানটির উৎস ও কীভাবে এটি ঢাকায় এসেছে — তা জানতে পারেননি স্থানীয় বয়স্কদের কাছ থেকে। তিনি লিখেছিলেন, “এটি নিশ্চয়ই আদি কামান আবিষ্কারের মতোই।” তিনি সতর্কতার সঙ্গে কামানের পরিমাপ নিয়েছিলেন এবং একটি সেকশনাল ড্রয়িং প্রস্তুত করে তা ড. হকারওয়ার্থের কাছে পাঠিয়েছিলেন। চিঠিতে তিনি লন্ডনের টাওয়ারে প্রদর্শিত অনুরূপ কামানের তুলনায় এই কামানের নির্মাণ পদ্ধতির প্রশংসা করেছিলেন।

চিঠির সাথে সংযুক্ত ড্রয়িং ও পরিমাপের তথ্য পরবর্তীকালে জেন্টলম্যান ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিল। তবে দুঃখজনকভাবে, ড. হকারওয়ার্থ তা দেখতে পারেননি — কারণ তিনি প্রকাশের আগেই মারা যান। ধারণা করা হয়, তিনি মৃত্যুর আগে চিঠি ও ড্রয়িং প্রকাশের জন্য পাঠিয়েছিলেন।

কালে খাঁ কামানের নামকরণের উৎস অজানা। তবে লোকমুখে এই নাম প্রচলিত ছিল। মি. জে সির চিঠি এই বিষয়ে প্রথম প্রকাশিত ডকুমেন্ট। অন্যান্য ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের লেখায় কালে খাঁর নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে তাদের লেখায় ঢাকার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলির উল্লেখ পাওয়া যায়। বিবি মরিয়ম কামান বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে অবস্থিত, যা মীর জুমলার বিবির নামে পরিচিত।

"এই শহরের বিপরীত দিকে আমাদের ফ্যাক্টরি থেকে দক্ষিণ–পশ্চিম দিকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে একটি ছোট দ্বীপ রয়েছে; সেখানে পড়ে আছে এযাবৎ আমার দেখা সর্ববৃহৎ একটি যুদ্ধাস্ত্র (কামান) ও দুটি পাথরের বল। সেগুলোর আকার দেখে প্রতীয়মান হয়, সেগুলো ওই কামানেরই গোলা। এটি একটি অনন্যসাধারণ নির্মিত বস্তু, যা দীর্ঘকাল ধরে এভাবেই পড়ে রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (বুড়িগঙ্গা নদীর দ্বীপ/চর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মি. জে সি (ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্মকর্তা), ড. হকারওয়ার্থ (লন্ডন), বিবি মরিয়ম (মীর জুমলার বিবি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ গজ (দূরত্ব), ৩৪ ফুট (কামানের দৈর্ঘ্য), ২২ ফুট (প্রস্থ), ১০ ইঞ্চি (মোটা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖