📌 সিলেট থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে ইউনিক পরিবহনের বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন বছরের শিশু জায়ফা নিহত হন। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত হন পরিবারের বাবা-মা
সিলেট থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় তিন বছরের শিশু জায়ফা নিহত হন। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত হন পরিবারের বাবা-মা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেট থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে ইউনিক পরিবহনের বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের বাসের।
- 📌 দুর্ঘটনায় তিন বছরের শিশু জায়ফা মৃত্যুবরণ করেন।
- 📌 অন্তত ২৫ জন আহত হন।
- 📌 গুরুতর আহত হন পরিবারের বাবা জাহাঙ্গীর আলম ও মা নুরুন্নাহার।
📰 বিস্তারিত
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার কাশীকাপন এলাকায় পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই ইউনিক পরিবহনের ওই বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের আরেক বাসের। একপর্যায়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায় পরিবারটিকে বহনকারী ইউনিক পরিবহনের বাসটি। এতে আহত হন পরিবারটির প্রায় সব সদস্য।
হাসপাতালে নেওয়ার পর ছোট্ট জায়ফাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। বাকিরাও সেখানে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনার পর সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিল জান্নাতুল। একপর্যায়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠে সে বলে, ‘ছোট বোন জায়ফা তখন ছিল বাবা-মায়ের কোলে। হঠাৎ জোরে একটা শব্দ হলো। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাসটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়।’
দুর্ঘটনায় জান্নাতুল ও মোহাম্মদ তুলনামূলক কম আহত হয়েছে। গুরুতর আহত হন তাঁদের বাবা-মা। আহত হয় জায়ফাও।
"ছোট বোন জায়ফা তখন ছিল বাবা-মায়ের কোলে। হঠাৎ জোরে একটা শব্দ হলো। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাসটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়।"
জান্নাতুল, দুর্ঘটনায় আহত কিশোরী ওই হাসপাতালের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন জাহাঙ্গীর আলম। চতুর্থ তলায় ভর্তি নুরুন্নাহার। দুজনই গুরুতর আহত। তবে তাঁরা হয়তো এখনো জানেন না, যে শিশুকে বুকে আগলে নিয়ে তাঁরা ঢাকার পথে রওনা হয়েছিলেন, সে আর ফিরবে না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওসমানীনগর উপজেলার কাশীকাপন এলাকা, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহাঙ্গীর আলম, নুরুন্নাহার, জায়ফা, জান্নাতুল, মোহাম্মদ, আনিসুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ জন আহত, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড, ১৬ বছর বয়সী জান্নাতুল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!