📌 খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে মাত্র একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। অনুমোদিত ৩৫ শয্যার বিপরীতে চালু রয়েছে মাত্র ২০টি। স্থান সংকট ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ঘাটতিতে বিপর্যস্ত হচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক রোগীর চিকিৎসাসেবা
খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট চলছে। অনুমোদিত ৩৫ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে চালু রয়েছে মাত্র ২০টি শয্যা। স্থান সংকটের কারণে অব্যবহৃত রয়ে গেছে আরও ১৫টি শয্যা। একই ইউনিটে মাত্র একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন, যার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক রোগীকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে অনুমোদিত ৩৫ শয্যার বিপরীতে চালু রয়েছে মাত্র ২০টি
- 📌 স্থান সংকটের কারণে অব্যবহৃত রয়ে গেছে আরও ১৫টি শয্যা
- 📌 ইউনিটটিতে মাত্র একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন
- 📌 বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে আগুনে দগ্ধ রোগীসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়
- 📌 ইউনিটটিতে নার্সিং স্টাফের স্বল্পতা না থাকলেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে
📰 বিস্তারিত
খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক রোগীর নির্ভরতার কেন্দ্রবিন্দু। আগুনে দগ্ধ রোগী, বার্ন পরবর্তী জটিলতা, শরীরের অঙ্গ বিকৃতি, ডায়াবেটিক রোগীদের ইনফেকশনসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করা হয় এখানে। তবে অনুমোদিত ৩৫ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে চালু রয়েছে মাত্র ২০টি শয্যা। স্থান সংকটের কারণে অব্যবহৃত রয়ে গেছে আরও ১৫টি শয্যা।
একই ইউনিটে মাত্র একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। তাঁর ছুটিতে থাকা বা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। ইউনিটটির নার্স ইনচার্জ মালতী দাস জানান, খুলনার আশপাশের জেলা ছাড়াও দূরদূরান্তের বিভিন্ন জেলা থেকে অনেক রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তিনি আরও বলেন, একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পক্ষে একা সবকিছু সামলানো কঠিন।
চিকিৎসাধীন এক নারী রোগী জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং চিকিৎসক ও নার্সদের কাছ থেকে ভালো সেবা পাচ্ছেন। তবে আরও একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকলে সেবার মান আরও উন্নত হতো বলে তিনি মনে করেন।
"বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে দ্রুত সিদ্ধান্ত, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্ত্রোপচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করে দীর্ঘ মেয়াদে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট পরিচালনা করা কঠিন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শেখ আবু শাহীন (হাসপাতাল পরিচালক), মালতী দাস (নার্স ইনচার্জ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অনুমোদিত শয্যা ৩৫, চালু শয্যা ২০, অব্যবহৃত শয্যা ১৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!