📌 কিশোরগঞ্জের চার মাস ছয় দিনের শিশু ফুয়াদের জীবন বাঁচাতে লিভার প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন। মা ভূবন আক্তার নিজের লিভার দান করতে চাইলেও চিকিৎসার বিপুল অর্থের কারণে পরিবারটি দিশেহারা। চিকিৎসা চলছে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার চার মাস ছয় দিন বয়সী শিশু ফুয়াদের জীবন বাঁচাতে লিভার প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন। সম্প্রতি ‘বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া’ রোগ ধরা পড়ায় তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। বর্তমানে তার শরীর ও চোখ হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে এবং পেট ক্রমশ বড় হচ্ছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটিকে বাঁচাতে অবিলম্বে লিভার প্রতিস্থাপন প্রয়োজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফুয়াদের বয়স চার মাস ছয় দিন, ‘বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া’ রোগে আক্রান্ত
- 📌 লিভার প্রতিস্থাপন ব্যতীত শিশুর জীবন বিপন্ন, প্রয়োজন প্রায় ৬০-৭০ লাখ টাকা
- 📌 মা ভূবন আক্তার নিজের লিভার দান করতে চাইলেও অর্থাভাবে পরিবারটি দিশেহারা
- 📌 চিকিৎসা চলছে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে
📰 বিস্তারিত
কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ভূবন আক্তার দম্পতির চার মাস ছয় দিন বয়সী সন্তান ফুয়াদ। সম্প্রতি তার শরীরে ‘বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া’ নামে জটিল রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। তবে অস্ত্রোপচার ব্যর্থ হওয়ায় শিশুটির অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। বর্তমানে তার শরীর ও চোখ হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে এবং পেট ক্রমশ বড় হচ্ছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটিকে বাঁচাতে লিভার প্রতিস্থাপনের বিকল্প নেই।
লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা। এই বিপুল অর্থের কারণে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যেই শিশুটির চিকিৎসায় পরিবারের সঞ্চিত অর্থ ও জমি বন্ধক দিয়ে ব্যয় করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পেডিয়াট্রিক সার্জারি ও পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ মো. সামিউল হাসানের তত্ত্বাবধানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে।
শিশু ফুয়াদের বাবা আব্দুল্লাহ আল মামুন হৃদয় সৌদি আরবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি দেশে অটোরিকশা চালাতেন। ভূবন আক্তার শেরপুর সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী। সন্তানকে বাঁচাতে তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে সহযোগিতা চেয়ে বেড়াচ্ছেন। ভূবন আক্তার বলেন, ‘সন্তানকে বাঁচাতে নিজের লিভারের অংশ দিতে চাই। চিকিৎসকেরা বলেছেন, লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু চিকিৎসার এত টাকা আমাদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। সবার সামান্য করে সহযোগিতায় হয়তো আমার সন্তানকে বাঁচাতে পারব।’
“সন্তানকে বাঁচাতে নিজের লিভারের অংশ দিতে চাই। চিকিৎসকেরা বলেছেন, লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু চিকিৎসার এত টাকা আমাদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। সবার সামান্য করে সহযোগিতায় হয়তো আমার সন্তানকে বাঁচাতে পারব।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলা, সুখিয়া ইউনিয়ন
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ভূবন আক্তার (মা), আব্দুল্লাহ আল মামুন হৃদয় (বাবা), মো. সামিউল হাসান (চিকিৎসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ মাস ৬ দিন (শিশুর বয়স), ৬০-৭০ লাখ টাকা (চিকিৎসা ব্যয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!