📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই স্বাস্থ্যকর্মীর অসাধারণ অবদান: সাড়ে ১০ হাজার স্বাভাবিক প্রসবের রেকর্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই স্বাস্থ্যকর্মীর অসাধারণ অবদান: সাড়ে ১০ হাজার স্বাভাবিক প্রসবের রেকর্ড

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই স্বাস্থ্যকর্মী নাজমা আক্তার ও শিরিনা চৌধুরীর হাত ধরে সাড়ে ১০ হাজারের বেশি শিশুর জন্ম হয়েছে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে। তাঁদের দক্ষতা ও সেবায় মুগ্ধ হয়ে পাশের উপজেলা থেকেও প্রসূতিরা তাঁদের কাছে আসছেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত দুই স্বাস্থ্যকর্মীর অসাধারণ সেবায় মুগ্ধ হয়ে পৃথিবীর আলো দেখেছে সাড়ে ১০ হাজারের বেশি শিশু। তাঁরা হলেন দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা নাজমা আক্তার এবং পাহাড়পুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা শিরিনা চৌধুরী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নাজমা আক্তার গত ১২ বছরে প্রায় তিন হাজার এবং শিরিনা চৌধুরী গত ৩৪ বছরে সাড়ে সাত হাজারের বেশি স্বাভাবিক প্রসব করিয়েছেন
  • 📌 নাজমা আক্তার ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে চাকরিতে যোগ দেন এবং ২০১৯ সালে মিডওয়াইফারি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন
  • 📌 শিরিনা চৌধুরী ১৯৯২ সাল থেকে কর্মরত এবং তাঁর তত্ত্বাবধানে ৭ হাজার ৫৭৩টি স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে
  • 📌 দুই স্বাস্থ্যকর্মীই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন

📰 বিস্তারিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও বিজয়নগর উপজেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে স্বাভাবিক প্রসবের ক্ষেত্রে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন দুই স্বাস্থ্যকর্মী। নাজমা আক্তার দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত থাকায় তাঁর সুনাম আশপাশের উপজেলাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যদিকে শিরিনা চৌধুরী পাহাড়পুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

নাজমা আক্তারের কর্মজীবন শুরু হয় ২০১৪ সালের ১০ ডিসেম্বর। ২০১৯ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় মাসের মিডওয়াইফারি প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তাঁর দক্ষতা ও সুনাম দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে তিনি প্রতি মাসে ৪০ থেকে ৪৫টি স্বাভাবিক প্রসব করান। তাঁর তত্ত্বাবধানে গত সাড়ে পাঁচ বছরে ২ হাজার ৪৪১টি শিশুর জন্ম হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে তিনি ২৮০টি প্রসব করিয়েছেন।

শিরিনা চৌধুরীর কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৯২ সালের জুনে। তাঁর তত্ত্বাবধানে গত ৩৪ বছরে ৭ হাজার ৫৭৩টি স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তিনি এক মাসে ৪৭টি প্রসব করিয়ে রেকর্ড গড়েন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত বিজয়নগরের ১০টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ৫ হাজার ৫৫২টি স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে, যার মধ্যে শিরিনা চৌধুরী করেছেন ২ হাজার ৪৩৯টি।

‘অনেক সময় টানা কাজ করতে করতে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু একটি সুস্থ নবজাতক পৃথিবীর আলো দেখার পর সেই ক্লান্তি আর থাকে না।’ — নাজমা আক্তার

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমা আক্তার, শিরিনা চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাড়ে ১০ হাজার স্বাভাবিক প্রসব

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖