📌 কুড়িগ্রামে জামায়াতের চার নেতা ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে ব্যবসার কথা বলে ১৫০ সদস্যের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন
কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চার নেতার বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে ব্যবসার কথা বলে দলটির সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ, কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম (রাজারহাট), রোকন আব্দুস সালাম সুজা (ফুলবাড়ী) এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সদস্য রফিকুল ইসলাম (ভোগডাঙ্গা) ২০২০ সালে প্রায় ১৫০ জন জামায়াত সদস্যের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেন। পরে তা ফেরত না দিয়ে ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর তারা আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুড়িগ্রামে জামায়াতের চার নেতা ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে ব্যবসার কথা বলে ১৫০ সদস্যের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেন
- 📌 ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে যান এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন
- 📌 ভুক্তভোগীরা দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও টাকা ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন
- 📌 জামায়াত জেলা শাখা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দলীয় পদ স্থগিত ও বহিষ্কারের ব্যবস্থা নিয়েছে
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ভুক্তভোগী মজলুম পরিবারের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী সদস্য ও তাদের স্বজনরা অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. তৈয়ব আলী, নোমান বিল্লাহ, মাহফুজুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন, রুহুল আমীন ও মোসলেমা বেগমসহ অনেকে। ভুক্তভোগীরা জানান, টাকা ফেরত পেতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও তারা কোনো প্রতিকার পাননি। এতে অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিষয়টি জেলা জামায়াতের আমিরকে জানানো হলে অভিযুক্তদের দলীয় সদস্যপদ স্থগিত করা হয়। তবে আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়। পরে সমাধান না হওয়ায় চার নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীরা। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হলেও প্রশাসন তাদের গ্রেপ্তারে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আমির আজিজুর রহমান স্বপন জানান, বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে রফিকুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং শাহজালাল সবুজের রোকনিয়াত দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তবে অপর দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তেমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।
"ভুক্তভোগীদের পাওনা টাকা ফেরতের বিষয়ে ন্যায়সংগত ও আইনসম্মত যেকোনো পদক্ষেপে জামায়াত পাশে থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহজালাল সবুজ, রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সালাম সুজা, রফিকুল ইসলাম (ভোগডাঙ্গা), আজিজুর রহমান স্বপন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কোটি টাকা, ১৫০ জন সদস্য, ৪ নেতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!