📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালের হিমবাহ ধস থেকে সৃষ্ট বন্যায় ১ হাজার ২০৪ জনের মৃত্যু, সতর্কবার্তা আসে ৩৮ মিনিট পরে

নেপালের হিমবাহ ধস থেকে সৃষ্ট বন্যায় ১ হাজার ২০৪ জনের মৃত্যু, সতর্কবার্তা আসে ৩৮ মিনিট পরে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালের রাসুয়া জেলায় হিমবাহ ধস থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ২১৬ জনের। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, দুর্যোগের সতর্কবার্তা পৌঁছাতে সময় লেগেছে ৩৮ মিনিট

২৬ আগস্ট সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে নেপালের রাসুয়া জেলার দক্ষিণের ছোট্ট গ্রাম হাকুবেসিতে হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা নিমা দর্জে তামাং ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা প্রাণ বাঁচাতে পাহাড়ের ওপরের দিকে দৌড় দেন। তবে তামাং পাথরের আঘাতে তাঁর পা ভেঙে যায় এবং প্রায় দুই ঘণ্টা গাছ আঁকড়ে ধরে থাকার পর উদ্ধার হন। পরে তাঁকে হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটে ২৬ আগস্ট সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে নেপালের রাসুয়া জেলায়
  • 📌 নিমা দর্জে তামাংসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা প্রাণ বাঁচাতে পাহাড়ের ওপরের দিকে দৌড় দেন
  • 📌 তামাংয়ের পা ভেঙে যায় এবং প্রায় দুই ঘণ্টা গাছ আঁকড়ে ধরে থাকার পর উদ্ধার হন
  • 📌 হিমবাহ ধস থেকে সৃষ্ট বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২০৪ জনের ও নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২১৬ জন
  • 📌 দুর্যোগের সতর্কবার্তা পৌঁছাতে সময় লেগেছে ৩৮ মিনিট

📰 বিস্তারিত

নেপালের রাসুয়া জেলার দক্ষিণের ছোট্ট গ্রাম হাকুবেসির বাসিন্দা নিমা দর্জে তামাং ২৬ আগস্ট সকালে দিন শুরু করেছিলেন। হঠাৎ করেই ৮টা ৩৭ মিনিটে হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটে। তামাং বিকট আওয়াজ শুনতে পেয়ে তাকিয়ে দেখেন বিশাল ঢেউ তাঁর দিকে এগিয়ে আসছে। প্রাণ বাঁচাতে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পাহাড়ের ওপরের দিকে দৌড় দেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ঢেউয়ের ধাক্কায় পাথরের আঘাত লেগে তাঁর পা ভেঙে যায়। স্রোতে ভেসে যেতে যেতে তিনি একটি গাছ আঁকড়ে ধরতে সক্ষম হন এবং প্রায় দুই ঘণ্টা গাছটি ধরে থাকার পর তাঁর বাবা ও ভাই এসে উদ্ধার করেন।

পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা তামাং বারবার অচেতন হয়ে পড়ছিলেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে তাঁকে কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালের অর্থোপেডিক ইনপেশেন্ট ওয়ার্ডে ভর্তি তামাং বলেন, ‘বাতাস লাগলেও ব্যথা করে। আমার চাচা, চাচি, বোন ও ভগ্নিপতিকে হারিয়েছি। সবাই বলছে, আবারও ভয়াবহ বন্যা হবে।’

এ দিকে স্থানীয় জনগোষ্ঠী বা কর্তৃপক্ষ কেউই এই ভয়াবহ বন্যার জন্য প্রস্তুত ছিল না। এর ফলে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২১৬ জন। স্থানীয়দের কাছে দুর্যোগের সতর্কবার্তা পৌঁছাতে সময় লেগেছে ৩৮ মিনিট। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হিমবাহ ধসের প্রায় ৩৮ মিনিট পর স্থানীয়দের কাছে পৌঁছেছিল দুর্যোগের সতর্কবার্তা।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপালের রাসুয়া জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিমা দর্জে তামাং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ১ হাজার ২০৪ জন, নিখোঁজ ৪ হাজার ২১৬ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖