📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বন্যায় স্ত্রী-সন্তান হারানো মুনতাসিরের অপেক্ষা: ইরার লাল জুতা আর দেখা মিলছে না

বন্যায় স্ত্রী-সন্তান হারানো মুনতাসিরের অপেক্ষা: ইরার লাল জুতা আর দেখা মিলছে না

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালের বন্যায় পরিবারের তিন সদস্যকে হারিয়ে অসহায় মুনতাসির। অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্ত্রী তাহমিনা ও দুই সন্তান ইরা ও নাওয়াফের নাম লেখা ব্ল্যাকবোর্ডে বারবার অশ্রু ঝরাচ্ছেন তিনি। ইরার লাল জুতাটি খুঁজে পাননি এখনো

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় স্ত্রী তাহমিনা রহমান ও দুই সন্তান ইরা রহমান ও নাওয়াফ রহমানকে হারিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বাংলাদেশি পর্যটক মুনতাসির। তিন দিন ধরে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মুনতাসিরের একমাত্র অবলম্বন হয়ে উঠেছে পরিবারের সদস্যদের নাম লেখা ব্ল্যাকবোর্ড। তবে ইরার লাল জুতাটি খুঁজে না পাওয়ায় তার মনে রয়ে গেছে এক অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বন্যায় স্ত্রী ও দুই সন্তান হারানোর পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মুনতাসির
  • 📌 অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৫ জনের সঙ্গে গাদাগাদি করে থাকছেন তিনি
  • 📌 স্কুলের ব্ল্যাকবোর্ডে স্ত্রী ও সন্তানদের নাম লিখে রাখছেন বারবার
  • 📌 ইরার লাল জুতাটি খুঁজে না পাওয়ায় রয়ে গেছে শোকের ভার
  • 📌 পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা প্রতিটি ছবিতে উজ্জ্বল ছিল ইরার লাল জুতা

📰 বিস্তারিত

নেপালের পাহাড়ি অঞ্চলে ভ্রমণে গিয়ে বন্যার কবলে পড়ে পরিবারের তিন সদস্যকে হারান মুনতাসির। তার স্ত্রী তাহমিনা রহমান (৩৮), পুত্র নাওয়াফ রহমান (১১) ও কন্যা ইরা রহমান (৭) নিখোঁজ হয়ে যায়। অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত স্কুলের একটি ক্লাসরুমে ৩৫ জন মানুষের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হচ্ছে তাকে।

স্কুলের ব্ল্যাকবোর্ডে তাহমিনা, ইরা ও নাওয়াফের নাম লেখার সময় মুনতাসিরের চোখ বারবার অশ্রুসজল হয়ে উঠছে। প্রথম দিন তিনটি নাম লেখার পর দ্বিতীয় দিন এসে দেখেন বৃষ্টির পানি বোর্ড ভিজিয়ে দিয়েছে। ইরার নামের শেষ অক্ষরটি গলে নিচে নেমে আসায় তিনি তা মুছে আবার লিখেছেন। নিচে যোগ করেছেন, ‘ওরা একসঙ্গে আছে।’

মুনতাসিরের মনে পড়ে যাচ্ছে সেই সুখী দিনগুলোর কথা যখন তারা নেপাল ভ্রমণে গিয়েছিলেন। তাহমিনা বলেছিলেন, ‘সারা জীবন ঢাকার জ্যাম দেখেই কাটিয়ে দেব? একটু পাহাড়, সমুদ্র দেখার ইচ্ছা হতে পারে না?’ ইরা তখনই বলেছিল, ‘আমি পাহাড় দেখব, বরফ দেখব, ইয়াক দেখব।’

"একটুকরা লাল প্লাস্টিক দেখিয়েও তাকে পাহাড় নামিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। মানুষের আশা খুব বুদ্ধিমান কিছু নয়।"

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা প্রতিটি ছবিতে ইরার লাল জুতাটি ছিল অস্বাভাবিক উজ্জ্বল। কাঠমান্ডু থেকে কেনা সেই জুতাগুলো নিয়ে ইরা বলেছিল, ‘আমি আর খুলব না।’ বন্যার পর থেকে মুনতাসির পৃথিবীর প্রতিটি লাল জিনিসকে ইরার জুতা মনে করে ছুটে গেছেন। তবে এখনো তার দেখা মিলছে না।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুনতাসির, তাহমিনা রহমান, ইরা রহমান, নাওয়াফ রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ জন (অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖