📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কাঁঠালের মৌসুম শেষে ১০ টাকার ফল ১ হাজার টাকায় বিক্রি, ক্রেতারা চমকে উঠছেন দামে

কাঁঠালের মৌসুম শেষে ১০ টাকার ফল ১ হাজার টাকায় বিক্রি, ক্রেতারা চমকে উঠছেন দামে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কাঁঠালের মৌসুম শেষে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় একেকটি কাঁঠালের দাম ১ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। পাইকারদের মতে, মৌসুমের শেষে গাছে ধরে থাকা কাঁঠালের চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম বেড়েছে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, আগাম জাতের কাঁঠাল চাষ করলে কৃষকদের লাভ বেশি হতে পারে

কাঁঠালের মৌসুমের শেষে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় কাঁঠালের দাম বেড়ে গেছে অসম্ভব পর্যায়ে। একেকটি কাঁঠালের দাম এখন সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা মৌসুমের সময়ের তুলনায় অসম্ভব। স্থানীয় পাইকার ও ক্রেতারা দামের এই পরিবর্তন নিয়ে অবাক হয়ে পড়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শ্রীপুরের বরমী বাজারে মৌসুম শেষে একেকটি কাঁঠালের দাম ১ হাজার টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে
  • 📌 মৌসুমের সময় ১০ টাকাতেও বিক্রি হতো কাঁঠাল, এখন একেকটি ২০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে
  • 📌 পাইকার মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘একটি কাঁঠালের দাম ১ হাজার টাকা, মিষ্টি বেশি, কোষ বড়, গন্ধ মধুর মতো’
  • 📌 কাঁঠালের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে, বিশেষত মৌসুমের শেষে গাছে ধরে থাকা কাঁঠালের চাহিদা বেশি
  • 📌 শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বলেন, আগাম জাতের কাঁঠাল চাষ করলে কৃষকদের লাভ বেশি হতে পারে

📰 বিস্তারিত

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজারে বুধবার দুপুরে দেখা গেছে, মৌসুমের শেষে কাঁঠালের দাম বেড়ে গেছে অসম্ভব পর্যায়ে। পাইকার বিল্লাল হোসেন বলেছেন, ‘এক হাজার টাকার এই কাঁঠাল সিজনে দাম ১০ টাকাও না। কিছু গাছে শেষ সিজনে কাঁঠাল ধরে। এগুলা আমরা বেশি দামে কিনে আনি। কাঁঠালগুলার স্বাদও বেশি, কিনেও মানুষ বেশি দাম দিচ্ছে।’ তিনি জানান, আজ বাজারে আটটি কাঁঠাল নিয়ে এসেছেন, যেগুলোর দাম ২০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত।

শ্রীপুরের সবচেয়ে বড় কাঁঠালের বাজার জৈনাবাজারে এখন কাঁঠালের দেখা পাওয়া যায় না। গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি, নয়নপুর, বরমী ও মাওনা চৌরাস্তার বাজারে অবস্থা একই। কোথাও দু-একটি কাঁঠাল পাওয়া গেলেও ক্রেতারা দাম শুনে চমকে উঠছেন। কাঁঠালের মৌসুমে মে থেকে জুলাই পর্যন্ত যে ফলটি গ্রামের বাজারে ১০ টাকাতেও বিক্রি হত, মৌসুম শেষে সেই ফলটি এখন দামি হয়ে উঠেছে।

বিক্রেতারা জানান, মৌসুমের সময়ের তুলনায় এখন কাঁঠাল সংগ্রহ করাই কঠিন। তাই দামও বেড়েছে। ধানমহল এলাকার পাশে ছোট-বড় ১৫টি কাঁঠাল নিয়ে বসেছিলেন পেশাদার কাঁঠাল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী। তিনি বলেন, ‘এই কাঁঠাল মৌসুমে কম দামে পাওয়া যায়। এখন বেশি দামে কিনে আনতে হয়। শেষ সময়ে গাছে যে কাঁঠাল ধরে, সেগুলোর স্বাদও ভালো। তাই মানুষ বেশি দাম দিয়েও কিনছেন।’

ফল ব্যবসায়ী ইসলাম উদ্দিন বলেন, সব জাতের কাঁঠাল একই সময়ে ধরে না। কিছু জাতের গাছে মৌসুম শুরুর অনেক আগেই ফল আসে, আবার কিছু গাছে মৌসুমের শেষ দিকে কাঁঠাল ধরে। বাজারে সরবরাহ কম থাকায় এসব কাঁঠালের দাম স্বাভাবিকভাবেই বেশি হয়। তিনি বলেন, ‘জাত বুঝে কাঁঠালগাছ রোপণ করতে পারলে কৃষকের লাভ অনেক বেশি হতে পারে। আগাম ও শেষ মৌসুমের কাঁঠালের চাহিদা থাকে।’

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বলেন, বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ইতিমধ্যে কিছু আগাম জাতের কাঁঠালের জাত উদ্ভাবন করে সেগুলোর চারা কিছু নার্সারিতে সরবরাহ করছে। এগুলোর মধ্যে কিছু জাত আছে ১২ মাসি। তিনি বলেন, শ্রীপুরে এ বছর কাঁঠালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০ মেট্রিক টন। গত বছরেও প্রায় একই লক্ষ্যমাত্রা ছিল, যা অর্জিত হয়েছে।

"জাত বুঝে কাঁঠালগাছ রোপণ করতে পারলে কৃষকের লাভ অনেক বেশি হতে পারে। আগাম ও শেষ মৌসুমের কাঁঠালের চাহিদা থাকে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা (বরমী বাজার, জৈনাবাজার, ধানমহল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিল্লাল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, ইসলাম উদ্দিন, সুমাইয়া সুলতানা বন্যা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার টাকা (কাঁঠালের সর্বোচ্চ দাম), ২০০ টাকা (নিম্নতম দাম), ১৫টি (কাঁঠাল), ৬০ মেট্রিক টন (উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা), ১২ মাসি (কাঁঠালের জাত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖