📌 দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান জানান, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আমলযোগ্য হওয়ায় অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন প্রকল্পে ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা অপব্যয়ের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে
দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান আজ বুধবার সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আমলযোগ্য হওয়ায় অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুদক সচিবের কথা: আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হয়েছে, যাচাই-বাছাই কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী
- 📌 সুপ্রিম কোর্ট প্রকল্পে অপব্যয়: রেকর্ড ভবন নির্মাণে ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা অপব্যয়ের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে
- 📌 মুখপাত্রের স্লিপ অব টাং: আগের ব্রিফিংয়ে 'প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া' কথাটি 'অফিশিয়ালি গ্রহণ করা হয়নি'
- 📌 কমিশনের তিন সদস্যের সিদ্ধান্ত: অনুসন্ধান চলাকালে কোনো কর্মকর্তা ব্যক্তিগত মতামত দিয়ে প্রভাবিত করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- 📌 আসিফ মাহমুদের অভিযোগ: দুদকের কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ করেছেন তিনি
📰 বিস্তারিত
দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, দুদক একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আইন অনুযায়ীই সংস্থাটি অভিযোগের অনুসন্ধান ও তদন্ত করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়। সাংবাদিকদের বিশেষভাবে জিজ্ঞাসা করা হয় আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ নিয়ে। আগের ব্রিফিংয়ে মুখপাত্রের ‘স্লিপ অব টাং’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া’ কথাটি। বুধবারের ব্রিফিংয়ে সচিব বলেন, ‘এটা হয়তো স্লিপ অব টাং হিসেবে বের হয়ে গেছে। আমরা এটাকে অফিশিয়ালি গ্রহণ করছি না। আইন যেভাবে বলেছে, সেভাবেই আমরা প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করছি।’
সচিব জানান, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘এখনো এটা বলার সময় হয়নি। আরও অনুসন্ধান হবে। এ পর্যায়ে এটা বলার কোনো সুযোগ নেই।’ দুদক সচিব বলেন, কোনো অভিযোগ পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই কমিটি পর্যালোচনা করে। এরপর ওই কমিটির মতামতের ভিত্তিতে কমিশন পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়। আসিফ মাহমুদের অভিযোগের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। সচিব বলেন, ‘এই অভিযোগ পাওয়ার পর আমাদের যাচাই-বাছাই কমিটির প্রতিবেদন এসেছে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নথি ও ফাইল চেয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি।’
সাংবাদিকদের জানতে চাওয়া হয়, যাচাই-বাছাই কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল কি না। সচিব বলেন, প্রতিবেদনটি এ মুহূর্তে তাঁর কাছে নেই। ফলে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবেন না।
সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে কাজ না করেই বিল পরিশোধের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়। প্রকল্পের মূল কাজ থেকে অনুমোদন ছাড়াই আটটি প্যাকেজ তৈরি করে ঠিকাদারদের প্রায় ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি প্যাকেজের কাজের কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি।
"আমরা এটাকে অফিশিয়ালি গ্রহণ করছি না। আইন যেভাবে বলেছে, সেভাবেই আমরা প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (দুদক সদর দফতর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাইদুর রহমান খান (দুদক সচিব), আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া (সাবেক উপদেষ্টা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা (অপব্যয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!