📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাসায়নিকের অতিরিক্ত ব্যবহারে স্বাদ হারাচ্ছে মধুপুরের

রাসায়নিকের অতিরিক্ত ব্যবহারে স্বাদ হারাচ্ছে মধুপুরের

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইলের মধুপুরের আনারস স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য বিখ্যাত হলেও অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে হারাচ্ছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। ফলে ক্রেতার আগ্রহ কমে দামও পড়েছে। চলতি মৌসুমে প্রায় আড়াই লাখ টন আনারস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে

টাঙ্গাইলের মধুপুরের বিখ্যাত আনারস এখন অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে হারাচ্ছে নিজস্ব স্বাদ ও সুগন্ধ। ফলে ক্রেতার আগ্রহ কমে যাওয়ায় দামও কমেছে। একসময়ের স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত মধুপুরের আনারস এখন আকারে বড় ও রঙে আকর্ষণীয় হলেও স্বাদ হারাচ্ছে।

⚡ মূল পয়েন্ট

  • 📌 মধুপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৬ হাজার ৬৩৮ হেক্টর জমিতে আনারস চাষ হয়েছে
  • 📌 ক্যালেন্ডার জাতের আনারস চাষ হয়েছে ৪ হাজার ৩৭৫ হেক্টরে, জলডুগি জাতের ২ হাজার ২৪৫ হেক্টরে ও এমডি-২ জাতের ১৮ হেক্টরে
  • 📌 চলতি মৌসুমে প্রায় আড়াই লাখ টন আনারস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
  • 📌 গত বছর যেখানে আনারস বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা পাইকারি দরে, এবার বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়

📰 বিস্তারিত

টাঙ্গাইলের মধুপুরের আনারস একসময় স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে এখন সেই আনারস হারাচ্ছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। ফলে ক্রেতার আগ্রহ কমে যাওয়ায় দামও কমেছে। মধুপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মমতাজ মুনা জানান, মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা চাষিদের অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার না করার পরামর্শ দিচ্ছেন। কৃষকদের আরও সচেতন করতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত কার্যক্রম নেওয়া হবে।

চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৬ হাজার ৬৩৮ হেক্টর জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ক্যালেন্ডার (জায়ান্ট কিউ) জাতের আনারস ৪ হাজার ৩৭৫ হেক্টরে, জলডুগি জাতের ২ হাজার ২৪৫ হেক্টরে এবং এমডি-২ জাতের আনারস ১৮ হেক্টরে চাষ করা হয়েছে। এ মৌসুমে প্রায় আড়াই লাখ টন আনারস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলন ভালো হয়েছে বলে জানান মমতাজ মুনা।

হাগুড়াকুড়ি গ্রামের চাষি সোহেল রানা জানান, তিনি চার বিঘা জমিতে ২২ হাজার আনারস চাষ করেছেন। কোনো ধরনের রাসায়নিক বা হরমোন ব্যবহার না করায় উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। ফলে তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি করতে হয়; কিন্তু অনেক ক্রেতা সেই দাম দিতে চান না। এ কারণে অনেক চাষি বাধ্য হয়ে রাসায়নিক ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন।

"আনারসের আকার বড় করতে প্যানোফিক্স, সুপারফিক্স, ক্রপকেয়ার, অঙ্কুরসহ বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। দ্রুত পাকানোর জন্য প্রয়োগ করা হয় রাইফেন, হারবেস্ট, প্রমোট, সারাগোল্ড, ক্রিটিপাস ও অ্যালপেনসহ বিভিন্ন রাসায়নিক। এসব ব্যবহারে অপরিপক্ব গাছেও ফল আসে। স্থানীয়ভাবে এসব রাসায়নিক প্রয়োগকে চাষিরা ‘গর্ভবতী’ নামে অভিহিত করেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মমতাজ মুনা (উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা), সোহেল রানা (চাষি), শহীদ মাহমুদ (বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ হাজার ৬৩৮ (হেক্টর), ৪ হাজার ৩৭৫ (হেক্টর), ২ হাজার ২৪৫ (হেক্টর), ১৮ (হেক্টর), ২২ হাজার (আনারস), ৩০ থেকে ৩৫ টাকা (গত বছরের দাম), ২০ থেকে ২৫ টাকা (এ বছরের দাম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖