📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সিটিটিসির সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদসহ পাঁচজনকে গুম ও হত্যার অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। প্রসিকিউশন জানায়, ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন যুবকদের সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করার কারণে গুম করে হত্যা করা হতো
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সিটিটিসির সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদসহ পাঁচজনকে গুম ও খুনের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। ইশতিয়াক আহমেদ বর্তমানে কারাগারে আছেন। এই মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন যুবকদের সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করার কারণে গুম করে হত্যা করা হতো।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সিটিটিসির সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদসহ পাঁচজনকে গুম ও হত্যার অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে
- 📌 মাওলানা আল আমিন নামের একজনকে গুম করে দীর্ঘদিন আটক রাখা হয়, পরে হত্যা করা হয়
- 📌 সিটিটিসি কর্মকর্তারা ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন যুবকদের সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করার কারণে গুম করতেন
- 📌 গুম করা যুবকদেরকে বিভিন্ন আয়নাঘরে আটক রাখা হতো, পরে নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে হত্যা করা হতো
- 📌 কিছু ক্ষেত্রে লাশ গুম করে ফেলা হতো এবং কাউকে মিথ্যা মামলায় চালান দেওয়া হতো
📰 বিস্তারিত
বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ রয়েছে। তিনি মাওলানা আল আমিন নামের একজনকে গুম করে দীর্ঘদিন আটক রাখেন। পরে আল আমিনকে হত্যা করা হয়। তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দিয়েছে এবং ট্রাইব্যুনালের কাছে পেশ করা হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম বলেন, সিটিটিসি নামে সরকারের একটি সংস্থা ছিল। তারা ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন যুবকদের সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার কারণে বা সরকারের সমালোচনা করার কারণে গুম করত। গুম করা যুবকদেরকে বিভিন্ন আয়নাঘরে আটক রাখা হতো। যখন সরকারি সিদ্ধান্ত আসত, তখন নির্দিষ্ট জায়গায় তাদের রেখে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে হত্যা করা হতো।
তিনি আরও বলেন, কিছু ক্ষেত্রে লাশ গুম করে ফেলা হতো এবং কাউকে কাউকে মিথ্যা মামলায় আদালতে চালান দেওয়া হতো। এই ধরনের অভিযোগে পাঁচজন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
"সিটিটিসি নামে সরকারের একটা সংস্থা আছে। তারা ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন যুবকদের সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার কারণে, অথবা বিভিন্ন সময়ে সরকারের সমালোচনা করার কারণে গুম করত। গুম করে বিভিন্ন আয়নাঘরে আটক রাখত। আটক রাখার পর যখন সরকারি সিদ্ধান্ত আসত, তখন একটি নির্দিষ্ট জায়গাতে তাঁদের রেখে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে হত্যা করা হতো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশতিয়াক আহমেদ, মো. আমিনুল ইসলাম, গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম, মাওলানা আল আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাঁচজন আসামি, মাওলানা আল আমিন (১ জন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!