📌 ভারতের কর্ণাটকের বাগালকোটে সরকারি ক্লিনিকে চাকরি করতেন নারী চিকিৎসক ডা. অঙ্কিতা ইয়ারাগাল। তিনি একদিনও কর্মস্থলে না গিয়ে প্রতি মাসে ৭০ হাজার টাকা বেতন নেওয়ার অভিযোগে চাকরি থেকে অব্যাহতির শিকার হন। প্রশাসন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং দোষী প্রমাণিত হলে বেতনের ফেরত দাবি করছে
ভারতের কর্ণাটকের বাগালকোটে অবস্থিত একটি সরকারি ক্লিনিকে কর্মরত নারী চিকিৎসক ডা. অঙ্কিতা ইয়ারাগালের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তিনি স্থানীয় একজন বিধায়কের ভাগ্নি। গত মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি একবারও ক্লিনিকে উপস্থিত হননি, অথচ এই সময়ে তিনি প্রতি মাসে ৭০ হাজার টাকারও বেশি সরকারি বেতন গ্রহণ করেছেন। এই সময়ে তিনি একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। ফলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের কর্ণাটকের বাগালকোটের সরকারি ক্লিনিকে কর্মরত নারী চিকিৎসক ডা. অঙ্কিতা ইয়ারাগাল একদিনও কর্মস্থলে না গিয়ে প্রতি মাসে ৭০ হাজার টাকা বেতন নেওয়ার অভিযোগে চাকরি থেকে অব্যাহতির শিকার হন
- 📌 গত মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি কোনো দিন ক্লিনিকে উপস্থিত হননি, কিন্তু এই সময়ে তিনি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন
- 📌 প্রশাসন তাকে তদন্তে হাজির হওয়ার নোটিশ জারি করে, কিন্তু তিনি প্রথমবার উপস্থিত হননি। ১৮ সেপ্টেম্বর তার সশরীরে উপস্থিতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 সরকারি চাকরি রেখে অনুমতি ছাড়া পড়াশোনা করা আইনের বিরুদ্ধে এবং চিকিৎসকদের নীতির বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে
- 📌 দোষী প্রমাণিত হলে তিনি যে বেতন নিয়েছেন, তার পুরোটাই ফেরত দিতে হতে পারে এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে
📰 বিস্তারিত
বাগালকোটের সরকারি ক্লিনিকে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন ডা. অঙ্কিতা ইয়ারাগাল। তিনি স্থানীয় একজন বিধায়কের ভাগ্নি। গত মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি কোনো দিন ক্লিনিকে উপস্থিত হননি। এই সময়ে তিনি একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। এই সময়ে তিনি প্রতি মাসে ৭০ হাজার টাকারও বেশি বেতন গ্রহণ করেছেন। ফলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হন।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে তদন্তে হাজির হওয়ার নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি প্রথমবার উপস্থিত হননি। তাই আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর তার সশরীরে উপস্থিতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি চাকরি রেখে অনুমতি ছাড়া পড়াশোনা করা আইন ও চিকিৎসকদের নীতির পরিপন্থী। ইতিমধ্যে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তিনি যে বেতন নিয়েছেন, তার পুরোটাই ফেরত দিতে হতে পারে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
"গবেষণা ছাড়াই সরকারি বেতন নেওয়া আইনের বিরুদ্ধে এবং চিকিৎসকদের নীতির বিরুদ্ধে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাগালকোট, কর্ণাটক, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. অঙ্কিতা ইয়ারাগাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ হাজার টাকা (বেতন), ১৮ সেপ্টেম্বর (তদন্তের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!