📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্ট: সাতজনকে খালাস দেওয়া আদেশ অসাংবিধানিক নয়, বৈধতা রক্ষা করে রুল

হাইকোর্ট: সাতজনকে খালাস দেওয়া আদেশ অসাংবিধানিক নয়, বৈধতা রক্ষা করে রুল

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনার সাইবার ট্রাইব্যুনালের সাতজন আসামিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে খালাস দেওয়ার আদেশকে অসাংবিধানিক বলে চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। হাইকোর্ট রুল দিয়েছে যে, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের অধীনে দেওয়া এই আদেশ অসাংবিধানিক নয়

খুলনার সাইবার ট্রাইব্যুনালের সাতজন আসামিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে খালাস দেওয়ার আদেশকে অসাংবিধানিক বলে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানিতে হাইকোর্ট রুল দিয়েছে। বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এই রুল প্রদান করেন। রিট আবেদনকারী মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুব চান্দু) খুলনার সাইবার ট্রাইব্যুনালের আদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাইকোর্ট রুল দিয়েছে যে, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের অধীনে সাতজন আসামিকে খালাস দেওয়া আদেশ অসাংবিধানিক নয়।
  • 📌 মাহাবুবুর রহমান ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে সাতজন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, পরে সাইবার সুরক্ষা আইন ও অধ্যাদেশের প্রেক্ষাপটে মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়।
  • 📌 খুলনার সাইবার ট্রাইব্যুনাল ২০২৫ সালের ১৯ জুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ৫০(৪) ধারা অনুযায়ী সাতজন আসামিকে খালাস দেন।
  • 📌 সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ সালের ২১ মে প্রণীত হয় এবং এর ৫০(৪) ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে অনিষ্পন্ন মামলাগুলো বাতিল করা হয়।
  • 📌 রিট আবেদনকারী মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং ‘মেহেরপুর প্রতিদিন’ পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান।

📰 বিস্তারিত

২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে মাহাবুবুর রহমান খুলনার সাইবার ট্রাইব্যুনালে সাতজন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণীত হয় এবং ২০২৫ সালের ২১ মে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করা হয়। অধ্যাদেশের ৫০(৪) ধারা অনুযায়ী, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে অনিষ্পন্ন মামলাগুলো বাতিল করা হয়।

২০২৫ সালের ১৯ জুন খুলনার সাইবার ট্রাইব্যুনাল সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ৫০(৪) ধারা অনুযায়ী সাতজন আসামিকে খালাস দেন। এই আদেশের বৈধতা নিয়ে মাহাবুবুর রহমান রিট দায়ের করেন। রিটে উল্লেখ করা হয় যে, সাইবার সুরক্ষা আইনের ৫৯(২) ধারা অনুযায়ী, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে অনিষ্পন্ন মামলাগুলো সাইবার নিরাপত্তা আইনের অধীনে পরিচালিত হবে।

রিট আবেদনকারী মাহাবুবুর রহমানের পক্ষে আইনজীবী মো. নাজমুল হুদা শুনানি করেন। রিট আবেদনকারীর দাবি অনুযায়ী, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ৫০(৪) ধারা অনুযায়ী, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে অনিষ্পন্ন মামলাগুলো বাতিল করা হয়েছে। তবে হাইকোর্টের রুলে বলা হয়েছে যে, এই আদেশ অসাংবিধানিক নয়।

"সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের অধীনে দেওয়া আদেশ অসাংবিধানিক নয়। এই আদেশের বৈধতা রক্ষা করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা, মেহেরপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী, মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুব চান্দু)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০(৪), ৫০(৫), ৫১(২), ২০১৮, ২০২৩, ২০২৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖