📌 সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) খন্দকার আবদুল হাফিজকে সরকারবিরোধী প্রচারণা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকার ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এ মামলায় আগে দু’জন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল
সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) খন্দকার আবদুল হাফিজকে (৫৬) সরকারবিরোধী প্রচারণা, অর্থ সংগ্রহ ও সহিংস ডিজিটাল কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গত শনিবার রাতে ঢাকার বনানী এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেপ্তার করে। আজ রোববার বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয় হাফিজকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেজর (অব.) খন্দকার আবদুল হাফিজকে সরকারবিরোধী প্রচারণা, অর্থ সংগ্রহ ও সহিংস ডিজিটাল কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
- 📌 চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে ঢাকার ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসানের আদালত।
- 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ।
- 📌 ১১ অক্টোবর মিরপুরের একটি বাসা থেকে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পাল ও লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
- 📌 ১০১ জন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি সহ মামলায় হাফিজের নাম যুক্ত করা হয়েছে।
- 📌 ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা ১’ ও ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ ও রাষ্ট্রবিরোধী প্রচার করা হতো বলে অভিযোগ।
📰 বিস্তারিত
গতকাল শনিবার রাতে ঢাকার বনানী এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) খন্দকার আবদুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করে। আজ রোববার বিকেলে হাফিজকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের পরিদর্শক শেখ বশির আহমেদ চার দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসানের আদালতে শুনানি শেষে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার করা হাফিজ অন্যান্য আসামির সহায়তায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। তিনি ‘ইউনিটি কেয়ার অ্যান্ড পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। এছাড়া তার নিজস্ব ফেসবুক পেজ থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উসকানি, পুলিশ হত্যার পক্ষে অপপ্রচার চালানো এবং দেশি-বিদেশি গুপ্তচরদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পল্লবীতে কাজী গুলশান আরার বাসায় অবস্থান করে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা ১’ এবং ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ নামের প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত থেকে তহবিল সংগ্রহ করতেন। পাশাপাশি ‘কালআজকাল ডটকম’ নামের ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সহিংসতায় উসকানি দেওয়া এবং রাষ্ট্রবিরোধী কুৎসামূলক প্রচার চালাতেন।
"আসামিরা পল্লবীতে কাজী গুলশান আরার বাসায় অবস্থান করে তহবিল সংগ্রহ করতেন এবং রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা চালাতেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বনানী, মিরপুর, পল্লবী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) খন্দকার আবদুল হাফিজ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পাল, লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরা, ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ বছর (হাফিজের বয়স), ৫ আগস্ট ২০২৪, ১১ অক্টোবর, ১০১ জন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!