📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহে ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল! এমপিও বাতিলের হুমকি শিক্ষকদের

ময়মনসিংহে ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল! এমপিও বাতিলের হুমকি শিক্ষকদের

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি। শিক্ষা বোর্ড এমপিও বাতিলের হুমকি দিয়েছে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধের জন্য

ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০২ জন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এ ঘটনায় শিক্ষা বোর্ড শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধের হুমকি দিয়ে এমপিও বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বোর্ডের অধীনে ৩১৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের হার মাত্র ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে ১৯টি প্রতিষ্ঠানে ১০২ জন শিক্ষার্থী শতভাগ ফেল করেছেন
  • 📌 এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৭৩ হাজার ৪২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন পাস করেছেন
  • 📌 শিক্ষা বোর্ড এমপিও বাতিলের হুমকি দিয়ে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়
  • 📌 তারাকান্দা উপজেলার এইচ. এ. ডিজিটাল কলেজে সর্বাধিক ২৬ জন শিক্ষার্থী শতভাগ ফেল করেছেন
  • 📌 ঈশ্বরগঞ্জের চরজিথর উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকদের বেতন না পাওয়ায় শিক্ষকরা কার্যক্রম ত্যাগ করেছেন

📰 বিস্তারিত

ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৯টি প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০২ জন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এ ঘটনায় শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের জবাব সন্তোষজনক না হলে শিক্ষকদের বেতন-ভাতাসহ এমপিও বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ময়মনসিংহ জেলায় সর্বাধিক ৭টি প্রতিষ্ঠানের ৪৩ জন শিক্ষার্থী শতভাগ ফেল করেছেন। এছাড়াও নেত্রকোনা জেলার ৬টি প্রতিষ্ঠানের ৩৩ জন, জামালপুরের ৪টি প্রতিষ্ঠানের ১৮ জন এবং শেরপুরের ২টি প্রতিষ্ঠানের ৮ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। তারাকান্দা উপজেলার এইচ. এ. ডিজিটাল কলেজে সর্বাধিক ২৬ জন শিক্ষার্থী শতভাগ ফেল করেছেন।

এইচ. এ. ডিজিটাল কলেজের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একসময় ভাড়া করা জায়গায় কলেজটির কার্যক্রম চললেও বর্তমানে সেখানে পাঠদান হয় না। ঈশ্বরগঞ্জের চরজিথর উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. সেলিম জানান, কাগজে-কলমে কলেজটিতে ১০ জন শিক্ষক ছিলেন। বর্তমানে সাতজন শিক্ষক থাকলেও কেউ কলেজে আসেন না। শিক্ষকদের বেতন না পাওয়ায় তারা কার্যক্রম ত্যাগ করেছেন।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ. জ. ম. রেজাউল করিম খান বলেছেন, শতভাগ অকৃতকার্য ১৯টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জবাব সন্তোষজনক না হলে প্রয়োজনে শিক্ষকদের বেতন-ভাতাসহ এমপিও বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

"প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে শিক্ষকদের বেতন-ভাতাসহ এমপিও বাতিলের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর, শেরপুর জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক আ. জ. ম. রেজাউল করিম খান (বোর্ড চেয়ারম্যান), মো. সেলিম (চরজিথর কলেজ অধ্যক্ষ), মো. আব্দুল লতিফ (কোনাপাড়া কলেজ অধ্যক্ষ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯টি প্রতিষ্ঠান, ১০২ জন শিক্ষার্থী, ৭৩ হাজার ৪২০ জন পরীক্ষার্থী, ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন পাস, ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ পাসের হার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖