📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পে ২০০০ একর জমি প্রয়োজন, ওয়াইডবডি বিমান ওঠানামার ব্যবস্থা নেওয়া হবে

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পে ২০০০ একর জমি প্রয়োজন, ওয়াইডবডি বিমান ওঠানামার ব্যবস্থা নেওয়া হবে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য ২০০০ একর জমি দরকার হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ বিমানবন্দরে ওয়াইডবডি বিমান ওঠানামার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও বিমান বাংলাদেশের ৩৫টি নতুন বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য সরকার ২০০০ একর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা করছে। এ বিমানবন্দরে ওয়াইডবডি বিমান ওঠানামার উপযোগী রানওয়ে নির্মাণের কথা বলেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। আজ রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় তিনি এই তথ্য জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণে ২০০০ একর জমি প্রয়োজন হবে
  • 📌 এ বিমানবন্দরে ওয়াইডবডি বিমান ওঠানামার ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • 📌 বিমান বাংলাদেশের ৩৫টি নতুন বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
  • 📌 নতুন বিমান বহরে যুক্ত করতে ১০ বছর সময় লাগবে
  • 📌 সরকার সরাসরি অর্থ ব্যয় করবে না, বিমান বাংলাদেশ নিজস্ব আয় থেকে দাম পরিশোধ করবে

📰 বিস্তারিত

জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় সভায় মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য প্রায় ২০০০ একর জমি প্রয়োজন হবে। এ বিমানবন্দরে ওয়াইডবডি বিমান ওঠানামার উপযোগী রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে প্রকল্পের সময়সীমা, অর্থায়ন বা জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে সভায় বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

সভায় মন্ত্রী বলেন, বিগত ২০ বছরে জবাবদিহির অভাবের কারণে বিভিন্ন প্রকল্প পরিকল্পনাহীনভাবে নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার যেকোনো ক্রয়প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চায়। তিনি আরও বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর আধুনিক করতে ৩৫টি নতুন বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব বিমান বহরে যুক্ত করতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগবে। এ সময়ের মধ্যে বর্তমান বহরের বিমানগুলো পর্যায়ক্রমে উড্ডয়ন অযোগ্য হয়ে যাবে।

মন্ত্রী জানান, নতুন বিমান কেনার জন্য সরকার সরাসরি অর্থ ব্যয় করবে না। বিমান বাংলাদেশ নিজস্ব আয় থেকে পর্যায়ক্রমে বিমান কেনার দাম পরিশোধ করবে। সরকার কেবল গ্যারান্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। তিনি অতীতে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও অনিয়মের অভিযোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, সেগুলোর সঠিক তদন্ত করা হবে এবং বর্তমান সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি দুর্নীতির বিরুদ্ধে বহাল থাকবে।

"বিগত ২০ বছরে জবাবদিহির ধারাবাহিকতা না থাকায় পরিকল্পনাহীনভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার যেকোনো ধরনের ক্রয়প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বগুড়া, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (মন্ত্রী), আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০০ একর জমি, ৩৫টি বিমান, ১০ বছর সময়, ২০ বছর জবাবদিহি অভাব

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖