📌 সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা দাবির অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলায় সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা অন্তরঙ্গ ভিডিও সম্পর্কিত দাবি করা হয়েছে
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা দাবির অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে চণ্ডীপুর গ্রামে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা দাম্পত্য জীবনের ছবি ও ভিডিও সম্পর্কিত অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আবদুল্লাহ আল মামুনকে সাতক্ষীরা সদর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 মামলায় সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জিসান বাবুলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে, এছাড়া সাহেব আলী ও সাবেক স্ত্রীসহ আরও দু’জনকে আসামি করা হয়েছে।
- 📌 ২৯ অক্টোবর ও ১ নভেম্বর তারিখে বাদীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল।
- 📌 বাদীকে পাঁচ লাখ থেকে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল, টাকা না দেওয়ায় ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা সদর থানার তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি গত রোববার পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ছয়-সাত মাস আগে বাদী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেন। পরে আসামিরা সাবেক স্ত্রীর কাছ থেকে তাঁদের দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে বাদীকে পাঠান। এসব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করা হয়েছিল।
বাদী প্রথম আলোকে জানান, ‘আসামিরা আমার কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেছিল। পরে তারা তিন লাখ এবং সর্বশেষ এক লাখ টাকা চান। টাকা না দেওয়ায় ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। পরে নিরুপায় হয়ে থানায় মামলা করি।’
সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামিল কবির বলেন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলার আসামি আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
"সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আমার কাছে টাকা দাবি করছিলেন আসামিরা। প্রথমে পাঁচ লাখ, পরে তিন লাখ এবং সর্বশেষ এক লাখ টাকা চান তাঁরা। টাকা না দেওয়ায় তাঁরা ভিডিও ছড়িয়ে দিতে থাকেন। পরে নিরুপায় হয়ে থানায় মামলা করি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চণ্ডীপুর গ্রাম, দেবহাটা উপজেলা, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল মামুন, জিসান বাবুল, বাদী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ অক্টোবর, ১ নভেম্বর, পাঁচ লাখ টাকা, তিন লাখ টাকা, এক লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!