📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলায় ব্যবসায়ী মানিক মিয়া হত্যা মামলায় বাবা ও দুই ছেলেকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছে আদালত। মামলার বাকি আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলায় ব্যবসায়ী মানিক মিয়া হত্যা মামলায় আদালত বাবা ও দুই ছেলেকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছে। এছাড়াও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। মামলার বাকি ছয় আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক অসীম কুমার দে ৪ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন
- 📌 কসবা উপজেলার নিমবাড়ি গ্রামের মোতাহার মিয়া, মনির মিয়া ও কামাল মিয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পান
- 📌 প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের সাজা
- 📌 মামলার বাকি ছয় আসামি — রুবেল মিয়া, শরীফ মিয়া, মনোয়ারা বেগম, জিয়াসমিন, খাদিজা বেগম — খালাস পান
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর রাতে
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক অসীম কুমার দে বুধবার দুপুরে রায় ঘোষণা করেন। মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন কসবা উপজেলার নিমবাড়ি গ্রামের মোতাহার মিয়া, মনির মিয়া ও কামাল মিয়া। রায়ের সময় কামাল মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু মোতাহার ও মনির মিয়া পলাতক রয়েছেন।
মামলা থেকে খালাস পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন কামাল মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া ও শরীফ মিয়া, কামালের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, নবীর হোসেনের স্ত্রী জিয়াসমিন এবং মনিরের স্ত্রী খাদিজা বেগম।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর রাতে টাকার বিষয়ে বিতর্কের পর মনির মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা মানিক মিয়াকে আক্রমণ করে। মানিক মিয়া রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি মৃত ঘোষণা হন। ঘটনার পর মানিক মিয়ার স্ত্রী হেলেনা আক্তার ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
২০১৯ সালের নভেম্বরে পুলিশ ১১ আসামির মধ্যে ৯ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ সাত বছর সাক্ষ্য-প্রমাণ, যুক্তিতর্ক ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তিনজন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে।
"আশা করেছিলাম, সব আসামি বেকসুর খালাস পাবে। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।"
— আসামিপক্ষের আইনজীবী সারওয়ার ই আলম
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফখরুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাদীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। যাঁদের সাজা দিয়েছে, তাঁরাই আঘাত করেছিলেন। আমরা রায়ে সন্তুষ্ট।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলা, নিমবাড়ি গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অসীম কুমার দে (বিচারক), মোতাহার মিয়া, মনির মিয়া, কামাল মিয়া, সারওয়ার ই আলম, ফখরুদ্দিন আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর ২০১৮ (ঘটনার তারিখ), ১১ জন আসামি, ৯ জন অভিযুক্ত, ৩ জন দোষী সাব্যস্ত, ১ লাখ টাকা জরিমানা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!