📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ইউজিসি থেকে অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় ২৬৮ জন ডেইলি লেবার ও থোক কর্মচারীকে ছাঁটাই করেছে। উপাচার্য ড. মতিনুর রহমান বলেছেন, বেতন দেওয়ার অর্থ নেই এবং বকেয়া বেতন কষ্ট করে পরিশোধ করা হবে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) অর্থসংকটের কারণে ২৬৮ জন চুক্তিবদ্ধ কর্মচারীকে ছাঁটাই করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ইউজিসি থেকে অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বুধবার (৪ নভেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ২৬৮ জন ডেইলি লেবার ও থোক কর্মচারীকে ছাঁটাই করেছে
- 📌 ইউজিসি থেকে অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
- 📌 ১০ থেকে ২০ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করতেন এই কর্মচারীরা
- 📌 গত ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ২৭৬তম সিন্ডিকেট সভায় ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
- 📌 বেতন দেওয়ার অর্থ না থাকায় বকেয়া বেতন কষ্ট করে পরিশোধ করা হবে
- 📌 উপাচার্য বলেছেন, ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া নতুন কর্মচারী নিয়োগ করা যাবে না
📰 বিস্তারিত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউজিসির অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক ও থোক বরাদ্দের আওতায় কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এসব কর্মচারীর মধ্যে অনেকেই পোষ্য কোটায় নিয়োগ পেয়েছিলেন। তারা ১০ থেকে ২০ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে কাজ করে আসছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সংকট ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বহনে অর্থের সংস্থান না থাকায় গত ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ২৭৬তম সিন্ডিকেট সভায় ডেইলি লেবার ও থোক বরাদ্দের কর্মচারীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৬৮ জন কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। উপাচার্য বলেন, ইউজিসির চিঠির ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো তহবিল নেই এবং সরকার বা ইউজিসি থেকে বেতন দেওয়ার অর্থ পাওয়া যাচ্ছে না।
উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে জনবল সংকট থাকলে প্রয়োজনীয় পদের চাহিদাপত্র ইউজিসিতে পাঠাতে হবে। ইউজিসি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় জনবল অনুমোদন দেবে। বর্তমান কর্মচারীদের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখার চেষ্টা করা হবে। ছাঁটাই হওয়া কর্মচারীদের বকেয়া বেতন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত তিন মাসের বকেয়া বেতন কষ্ট করে হলেও পরিশোধ করা হবে।
"ইউজিসির চিঠির ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো তহবিল নেই। সরকার বা ইউজিসি থেকেও এসব কর্মচারীর বেতন-ভাতা বহনের জন্য অর্থ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আপাতত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে তাদের বেতন-ভাতা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এটি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান (উপাচার্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬৮ জন কর্মচারী ছাঁটাই, ২৭৬তম সিন্ডিকেট সভা, ১০-২০ বছর কর্মজীবন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!