📌 চিত্রনায়ক সালমান শাহের হত্যা মামলায় সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ৮ ডিসেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার। মামলাটি ১৯৯৬ সালের ঘটনার উপর ভিত্তি করে দায়ের করা হয়েছে এবং দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারা অনুযায়ী তদন্ত চলছে
চিত্রনায়ক সালমান শাহের হত্যা মামলায় সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আগামী ৮ ডিসেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন সময়মতো দাখিল না করায় বিচারক এই নির্দেশ প্রদান করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালমান শাহের হত্যা মামলায় সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ৮ ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত
- 📌 মামলার আসামিরা হলেন: সামীরা হক, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ
- 📌 মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে
- 📌 ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যু ঘটে, যা পূর্বপরিকল্পিত হত্যা হিসেবে অভিযোগ করা হয়েছে
- 📌 মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক ৮ ডিসেম্বর এই দিন নির্ধারণ করেন। মামলাটি ২১ অক্টোবর সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় দায়ের করেন।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর, তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী) এবং বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে তারা জানতে পারেন সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। তারা বাসায় ফিরে দেখেন সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন। পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।
সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। তারা সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।
"সালমানের পিতা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমান শাহ, সামীরা হক, মোহাম্মদ আলমগীর, জুয়েল রানার, নিলুফার জামান চৌধুরী, কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জন আসামি, ৮ ডিসেম্বর (প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ), ৩০২/৩৪ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!