📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এএসপির বিরুদ্ধে জমি লিখে নিতে সাদা কাগজে সই নেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ: ব্যবসায়ী সোহাগের দাবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এএসপির বিরুদ্ধে জমি লিখে নিতে সাদা কাগজে সই নেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ: ব্যবসায়ী সোহাগের দাবি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলের এএসপি জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে জমি লিখে নিতে সাদা কাগজে সই নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসায়ী আবুল হোসেন সোহাগ দাবি করেছেন, তিনি জমি লিখে না দিলে মামলা দিয়ে ভয় দেখানো হয় এবং তিনটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এএসপি দাবি করেছেন, অভিযোগ মিথ্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে জমি লিখে নিতে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ এএসপি মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে উঠেছে। ব্যবসায়ী আবুল হোসেন সোহাগের অভিযোগ, তিনি জমি লিখে না দিলে মামলা দিয়ে ভয় দেখানো হয় এবং তিনটি অলিখিত সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এছাড়াও ক্ষমতার অপব্যবহার, টাকা দাবি এবং জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের পক্ষ নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরাইল উপজেলার শাখাইতি গ্রামের ব্যবসায়ী আবুল হোসেন সোহাগের বিরুদ্ধে জমি লিখে না দিলে মামলা দিয়ে ভয় দেখানো হয় এবং তিনটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
  • 📌 এএসপি জাহাঙ্গীর আলমের নির্দেশে সোহাগের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে।
  • 📌 সোহাগ দাবি করেছেন, তিনি ১৬ শতাংশ জমি লিখে না দিলে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয় এবং ১২ বছর কারাদণ্ডের ভয় দেখানো হয়।
  • 📌 সোহাগের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা বলে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে তিনি ১০ হাজার টাকা দেন, কিন্তু এএসপি প্রতিপক্ষের পক্ষে অবস্থান নেন।
  • 📌 এএসপি জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেছেন, অভিযোগ মিথ্যা এবং তিনি বিষয়টি নিয়ে কোনো সাদা কাগজে স্বাক্ষর করেননি।

📰 বিস্তারিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার শাখাইতি গ্রামের ব্যবসায়ী আবুল হোসেন সোহাগের বিরুদ্ধে জমি লিখে নিতে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ এএসপি মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে উঠেছে। সোহাগের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে ব্যবসা করছেন এবং সরাইলের শাখাইতি গ্রামে জমি রয়েছে। জমি নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছে। প্রতিপক্ষ নাজমা খাতুনের সাথে ব্যবসার প্রয়োজনে তিন লাখ টাকা লেনদেনের পর জাল স্ট্যাম্প তৈরি করে সোহাগের ১৬ শতাংশ জমি নাজমার নামে লিখে দিতে চাপ দেওয়া হয়।

সোহাগ বলেন, জমি লিখে না দিলে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। একপর্যায়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে তিনটি অলিখিত সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। তিনি আরও দাবি করেছেন, জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছে দেড় লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে তিনি প্রথম ধাপে ১০ হাজার টাকা দেন। তবে ওই টাকা দেওয়ার পরও এএসপি প্রতিপক্ষ নাজমা খাতুনের পক্ষে অবস্থান নেন। সোহাগের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে স্ট্যাম্প চুক্তির ১৬ লাখ টাকার একটি মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। তিনি ওই চুক্তি করেননি।

সোহাগের অভিযোগ, এএসপি তাঁকে নিজের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখান এবং জমি প্রতিপক্ষকে লিখে দিতে বলেন। তিনি রাজি না হওয়ায় ১২ বছর কারাদণ্ড ভোগের ভয়ও দেখান। এ ঘটনার পর এএসপির নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে একটি মামলাও করা হয়েছে। সোহাগ বলেন, এসব ঘটনার পর থেকে তিনি আতঙ্কে রয়েছেন এবং নিজের সম্পত্তি নিয়েও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নিরুপায় হয়ে তিনি চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ দেওয়ার পর স্থানীয় দুই সালিসকারীর মাধ্যমে ওই ১০ হাজার টাকা ফেরত পাঠানো হলেও সোহাগ ওই টাকা গ্রহণ করেননি। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ নাজমা খাতুন দাবি করেছেন, সোহাগ তাঁদের জমি লিখে দেওয়ার কথা দিয়েছিলেন। এ নিয়ে তিনি আদালতে দুটি মামলাও করেছেন। এএসপি জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, ‘আমি তদন্তকারী কর্মকর্তা না। আমি কেন সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেব?’ বিষয়টি নিয়ে আগের পুলিশ সুপার স্যার উভয় পক্ষকে নিষ্পত্তি করার জন্য তাকে বলেছিলেন।

"আমি আতঙ্কে রয়েছি এবং নিজের সম্পত্তি নিয়েও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। নিরুপায় হয়ে আমি চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি বরাবর অভিযোগ করেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, সরাইল উপজেলা, শাখাইতি গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল হোসেন সোহাগ, এএসপি মো. জাহাঙ্গীর আলম, নাজমা খাতুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর, ১৬ শতাংশ, ১০ হাজার টাকা, ১৬ লাখ টাকা, ১২ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖