📌 জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে নতুন তথ্য মিলেছে। মোজাফফর হোসেন নামে এক সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের পর তার ফোনে পাওয়া তথ্য অনুসন্ধানকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে। বিশেষ প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের যোগাযোগের বিষয়টি উন্মোচিত হবে
জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষ প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা। হত্যাকাণ্ডের স্থান পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, মোজাফফর হোসেন নামে এক সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের পর তার ফোনে পাওয়া তথ্য অনুসন্ধানকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৫ বছর পর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে
- 📌 হত্যাকাণ্ডের সময় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে উপস্থিত ছিলেন মোজাফফর হোসেন
- 📌 বিশেষ প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানান, মোজাফফরের ফোনে পাওয়া তথ্য অনুসন্ধানকে নতুন দিশা দিয়েছে
- 📌 হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের যোগাযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন
- 📌 হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে নতুন তথ্য উন্মোচনের দাবি করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা
📰 বিস্তারিত
জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষ প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা। গত ১৫ জুলাই রাজধানীর বনানী থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের সময় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে উপস্থিত ছিলেন মোজাফফর হোসেন। ঘটনার পর ওই কক্ষে নথিপত্র তল্লাশি এবং মরদেহ সরানোর কাজে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
বিশেষ প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা বলেন, "জিয়াউর রহমানের মৃত্যুটা নিয়ে এখনো অনেক রহস্য রয়েছে। সে রহস্য উন্মোচনের ক্ষেত্রে মোজাফফর আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। কারণ, তার সঙ্গে দেশের ভেতর এবং দেশের বাইরের বেশ কিছু লোকের যোগাযোগ আমরা পেয়েছি। তারা আসলে কেউ রাষ্ট্রীয় কোনো ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কি না, তা তদন্তাধীন।"
তিনি আরও বলেন, "মোজাফফরের ফোনে পাওয়া তথ্য অনুসন্ধানকে নতুন দিশা দিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের যোগাযোগের বিষয়টি উন্মোচিত হবে। হত্যাকাণ্ডের সময় সেনানিবাসে ফিরে আসা কর্মকর্তাদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছিল। সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী ছিলেন মেজর জেনারেল মঞ্জুর। তাকে পুলিশ হেফাজত থেকে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত কে দিয়েছিল, সে প্রশ্নেরও উত্তর খোঁজা হচ্ছে।"
"আসলে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে কে গুলি করেছিল এবং মঞ্জুর কীভাবে নিহত হয়েছিলেন, সে বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত। তবে আশা করি, সেই সময়কার জীবিত যেসব সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন অথবা তার ইমিডিয়েট জুনিয়ররা যারা রয়েছেন, সেই সঙ্গে গোয়েন্দা ও অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে রিপোর্টগুলো রয়েছে সবকিছুর সমন্বয়ে আমরা হয়তো এই মৃত্যুর কারণ কী ছিল, তা বের করতে পারব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোজাফফর হোসেন, তানভীর হাসান জোহা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ বছর, ১৫ জুলাই, ৩০ মে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!